• বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০১:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সাইপ্রাসের লক্ষ্য ২০২৬ সালের মধ্যে সেনজেন সদস্যপদ বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোরের প্রস্তাব চীনের ১৪ বছরের মধ্যে জিডিপির অনুপাতে বেসরকারি বিনিয়োগ সর্বনিম্ন খুলনায় ফজরের নামাজের সময় অস্ত্র নিয়ে মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদের গুলি পটুয়াখালীতে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের সদস্য গ্রেফতার পর্নোগ্রাফি মামলায় ধরা পড়লেন মাওলানা মিরাজ আহমেদ চাঁদা না পেয়ে ছাত্রদল নেতার হামলায় একজন নিহত, কয়েকজন আহত হয়েছে। মুন্সীগঞ্জে ১৩ বছরের মাদ্রাসাত্রীকে যৌন নির্যাতন,মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দিলে স্থানীয়রা ইরান ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আগ্রাসনবিরোধী চুক্তি করতে চায় সৌদি আরব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।

বাকেরগঞ্জে মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীকে বেত্রাঘাত করে নির্যাতনের অভিযোগ

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি / ১৩৫ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

বাকেরগঞ্জে মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীকে বেত্রাঘাত করে নির্যাতনের অভিযোগ

বরিশালের বাকেরগঞ্জে পড়া না পারার অজুহাতে ফয়জুল করিম মুছা নামের ৮ বছর বয়সী শিশু শিক্ষার্থীকে নির্মমভাবে বেত্রাঘাত করে নির্যাতন করছেন শিক্ষক। এতে ওই শিক্ষার্থীর বাম হাতের কনুইর উপরের নিন্মাংশে পিঠেসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় রক্তমুখি জখমসহ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এনিয়ে ওই শিশু শিক্ষার্থীর পরিবারের মাঝে চরম ক্ষোভ এবং উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার রাত ৭ টার দিকে উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের আল কারীম হিফজুল কুরআন নূরানী মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর পরই আত্মগোপনে চলে যান অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ সোয়াইব হোসেন।

তবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীকে বেত্রাঘাতের সত্যতা স্বীকার করে বলেন ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ সোয়াইব হোসেন পলাতক রয়েছেন। অবশ্য মাদ্রাসা পরিচালক মোঃ আনোয়ার হোসেন ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিচারের আশ্বাস দিয়ে থানায় অভিযোগ দিতে শিক্ষার্থীর পরিবারকে নিষেধ করেন।

মাদ্রাসা শিক্ষকের নির্মম বেত্রাঘাতের শিকার শিশু ফয়জুল করিম মুছা বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের মোঃ রুহুল আমিন মুন্সীর ছেলে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও শিশুর শিক্ষার্থীর মা মোসাঃ মুক্তা বেগম বলেন, ছেলের অসুস্থতার খবর পেয়ে তিনি মঙ্গলবার সকালে দুর্গাপুর এলাকায় ওই মাদ্রাসায় যান। গিয়ে ছেলের কাছে বিস্তারিত শুনেন এবং তার দেখেন শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্ত জমাট জখম। এমনকি পিঠে বেত্রাঘাতের বেশ কয়েকটা রক্তাক্ত চিহ্ন রয়েছে। পরবর্তীতে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ছেলের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ সোয়াইব হোসেন ও মাদ্রাসা পরিচালক মোঃ আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, তিনি তার ছেলে মুছাকে হাফেজ বানানোর অনেক স্বপ্ব নিয়ে আল কারীম হিফজুল কুরআন নূরানী মাদ্রাসায় হেফজ শাখায় ভর্তি করেছিলেন। ভর্তির পরে গত কয়েক মাসে মাদ্রাসার আবাসিক শাখার দায়িত্বরত শিক্ষক মোঃ সোয়াইব হোসেন তার পুত্রকে একাধিকবার কারনে অকারনে বেত্রাঘাত করিয়া শারিরীকভাবে নির্যাতন করিয়া আসিতেছে। তিনি এই ঘটনার ন্যায় বিচারের দাবি জানান।

অভিযোগ প্রসঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ সোয়াইব হোসাইনের বক্তব্য জানতে মাদ্রাসায় গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি তার ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরে কল করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়েই কল কেটে দেন।

এ প্রসঙ্গে মাদ্রাসা পরিচালক মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনাটির জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি। তাছাড়া ঘটনাটি আমরা নিজেরাই সমাধান করার চেষ্টা করছি। তবে মাদ্রাসাটিতে শিক্ষার্থীদের ওপর নিয়মিত নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমিন বলেন, শিক্ষার্থীদের ক্লাসে বেত্রাঘাতের কোন সুযোগ নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/