• বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সাইপ্রাসের লক্ষ্য ২০২৬ সালের মধ্যে সেনজেন সদস্যপদ বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোরের প্রস্তাব চীনের ১৪ বছরের মধ্যে জিডিপির অনুপাতে বেসরকারি বিনিয়োগ সর্বনিম্ন খুলনায় ফজরের নামাজের সময় অস্ত্র নিয়ে মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদের গুলি পটুয়াখালীতে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের সদস্য গ্রেফতার পর্নোগ্রাফি মামলায় ধরা পড়লেন মাওলানা মিরাজ আহমেদ চাঁদা না পেয়ে ছাত্রদল নেতার হামলায় একজন নিহত, কয়েকজন আহত হয়েছে। মুন্সীগঞ্জে ১৩ বছরের মাদ্রাসাত্রীকে যৌন নির্যাতন,মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দিলে স্থানীয়রা ইরান ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আগ্রাসনবিরোধী চুক্তি করতে চায় সৌদি আরব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।

ভুল চিকিৎসা নয়, ঔষধের বিরল রিঅ্যাকশনে অসুস্থ শিক্ষার্থী। ডা: ইকবাল হোসেন আমান।

প্রতিনিধি / ৬৮০ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫

ডেস্ক নিউজ : কয়েকদিন পূর্বে বিএম কলেজের দর্শন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সাজনিন আহমেদ সাদিয়া শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি হন। এরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বেশকিছু পএিকায় অভিযোগ উঠেছে, দাঁতের চিকিৎসক ডা: ইকবাল হোসেন আমানের ভুল চিকিৎসা ও ঔষধ প্রয়োগের কারণে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এবং তাঁর মুখ ও শরীরের ভেতরে মারাত্মক সমস্যা দেখা দিয়েছে।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে ডা: ইকবাল হোসেন আমান বলেন, এটি কোনো ভুল চিকিৎসার ফল নয়, বরং ঔষধের বিরল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে এ জটিলতা দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, সাদিয়া গত দুই মাস ধরে দাঁতের ব্যথায় ভুগছিলেন। প্রথমে আক্কেল দাঁতের চিকিৎসার জন্য ডা: ইকবালের কাছে যান। পরবর্তীতে পাশের দাঁতে সংক্রমণ ধরা পড়লে তাঁর রুট ক্যানেল করা হয়। ডাঃ আমান এর কাছে চিকিৎসাধীন অবস্থা সাদিয়া অন্য চিকিৎসকের শরনাপন্ন হয়েছেন কয়েকবার। ডাঃ আমান চিকিৎসার অংশ হিসেবে তাঁকে সচারাচর  অ্যান্টিবায়োটিক ও অন্য ঔষধ দেয়।
পরবর্তীতে তাঁর শরীরে Stevens–Johnson Syndrome (SJS) নামক একটি বিরল রোগের লক্ষণ দেখা দেয়। এতে রোগীর ত্বক ও মুখগহ্বর মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হয়, যা দেখতে এসিড পোড়ার মতো মনে হয়। ডা: ইকবাল হোসেন আমান বলেন,
আমরা যেসব ঔষধ ব্যবহার করেছি তা আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত এবং ডেন্টাল চিকিৎসায় নিয়মিত ব্যবহৃত হয়। কিন্তু সাদিয়ার ক্ষেত্রে ঔষধে একটি বিরল প্রতিক্রিয়া হয়েছে। এ ধরনের প্রতিক্রিয়াকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে Adverse Drug Reaction বলা হয়, যা আগে থেকে নির্ণয় বা প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়।
তিনি আরও জানান, “Stevens–Johnson Syndrome অত্যন্ত বিরল একটি জটিলতা— গোটা জনসংখ্যার সামান্য অংশের ক্ষেত্রে এ ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এটি কোনো চিকিৎসকের অবহেলার কারণে হয় না, বরং রোগীর শরীরের ইমিউন সিস্টেমের অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ার কারণে ঘটে। বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, SJS মূলত একটি mucocutaneous disorder, যা সাধারণত কিছু নির্দিষ্ট অ্যান্টিবায়োটিক, ব্যথানাশক ওষুধ বা অন্যান্য মেডিসিন সেবনের পর বিরল ক্ষেত্রে ঘটে থাকে।
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডাক্তার ইকবাল হোসেন আমানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠলেও তিনি দাবি করেছেন, তাঁর চিকিৎসা ছিল নিয়ম মাফিক এবং সাদিয়ার জটিলতা সম্পূর্ণরূপে ঔষধের বিরল রিঅ্যাকশনের কারণে হয়েছে। তিনি সাদিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং ভিত্তিহীন অভিযোগে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/