• মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সমকামিতার অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটির বৈঠক চলাকালেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ পরপর দু’টি বোমা উদ্ধারের মধ্যেই পুলিশের সতর্কতা জারি, পরিস্থিতি কতটা উদ্বেগজনক? বাকেরগঞ্জে ট্রাক থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ জাতিসংঘের নিহতের তালিকায় পাবনার রাফির নাম, ভিডিও বার্তায় নিজেকে জীবিত দাবি মির্জাগঞ্জে আওয়ামিলীগ নেতার বাড়ি ভেংগে দিলেন সংসদ আলতাফ হোসেন চৌধুরী মালয়েশিয়া যেতে আগাম লেনদেন ও মেডিকেল টেস্ট নিয়ে সতর্কবার্তা পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পে পিলারের নিচে মাটি কেটে নেওয়ার পর এবার যন্ত্রাংশ চুরির মহোৎসব, দুর্ঘটনার শঙ্কা হোলি আর্টিজানের এক দশক, বাংলাদেশে জঙ্গি তৎপরতা বেড়েছে নাকি কমেছে? সাইপ্রাসের লক্ষ্য ২০২৬ সালের মধ্যে সেনজেন সদস্যপদ বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোরের প্রস্তাব চীনের

ইরান ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আগ্রাসনবিরোধী চুক্তি করতে চায় সৌদি আরব

সময় ডট নেট/আন্তর্জাতিক ডেস্ক রিপোর্ট / ১৯২ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

ইউরোপে স্নায়ুযুদ্ধের সময় উত্তেজনা কমাতে ১৯৭০-এর দশকে একটি চুক্তি করা হয়েছিল। সেই চুক্তির আদলে আদলে ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে একটি আগ্রাসনবিরোধী চুক্তি প্রস্তাব করেছে সৌদি আরব। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

সৌদি আরবের এ উদ্যোগ ইউরোপের কয়েকটি প্রভাবশালী দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সমর্থন পেয়েছে। তবে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র এ প্রস্তাবকে সমর্থন করবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

সৌদি আরব তাদের প্রস্তাবিত কাঠামো ১৯৭৫ সালের ‘হেলসিঙ্কি অ্যাকর্ডস’-এর আদলে তৈরি করছে। ওই চুক্তিতে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও তার মিত্ররা, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় দেশগুলো স্বাক্ষর করেছিল।

চুক্তিটির মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ইউরোপের সীমান্তগুলোকে যৌথভাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। পাশাপাশি স্বাক্ষরকারী দেশগুলো মানবাধিকার রক্ষা এবং অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক ও মানবিক বিষয়ে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেয়।

এক আরব কূটনীতিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের জন্য অনুরূপ একটি চুক্তিকে ‘বেশিরভাগ আরব ও মুসলিম রাষ্ট্র, পাশাপাশি ইরানও’ স্বাগত জানাবে। ইরান ইতোমধ্যে উপসাগরীয় দেশগুলোকে তাদের ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে।

আরব দেশগুলো ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর উদ্দেশ্যে যেকোনও চুক্তির বিরোধিতা করতে পারে ইসরায়েল। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র এ উদ্যোগকে সমর্থন করবে কি না, তাও অনিশ্চিত।

হরমুজ প্রণালির মতো সংবেদনশীল বিষয়গুলো এই চুক্তিতে কীভাবে বিবেচিত হবে, তা-ও পরিষ্কার নয়। তেহরান এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করতে চায় এবং জাহাজ চলাচলের জন্য নিজস্ব নিয়ম ও টোল ব্যবস্থা চালু করেছে।

সৌদি আরব ও অন্যান্য উপসাগরীয় দেশ ইরানের ওপর হামলা চালানোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে তদবির করেছিল। তাদের আশঙ্কা ছিল, যুদ্ধে ইরান ক্ষতিগ্রস্ত করলেও তারা আরও সাহসী হয়ে উঠবে। আর ইরানের বর্তমান সরকার ব্যবস্থাও বহাল থাকবে।

সিআইএর একটি প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে, বাস্তবে ঠিক সেটাই ঘটেছে। গোয়েন্দা নথিতে বলা হয়েছে, ইরান এখনও যুদ্ধ-পূর্ব ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের বেশিরভাগই ধরে রেখেছে এবং দেশটির সরকার পতনের কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/