• সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ০১:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চাঁদা না পেয়ে ছাত্রদল নেতার হামলায় একজন নিহত, কয়েকজন আহত হয়েছে। মুন্সীগঞ্জে ১৩ বছরের মাদ্রাসাত্রীকে যৌন নির্যাতন,মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দিলে স্থানীয়রা ইরান ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আগ্রাসনবিরোধী চুক্তি করতে চায় সৌদি আরব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। নিখোঁজের ১০ দিন পর মিলল মা-মেয়ের অর্ধগলিত মরদেহ বাকেরগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জনকে কারাদণ্ড দীর্ঘদিন পালিয়ে থেকেও শেষ রক্ষা হলোনা যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ইউপি সদস্য কালামের বাকেরগঞ্জে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ঝালকাঠির সেই বিতর্কিত দুর্নীতিবাজ উপজেলা প্রকৌশলী ইকবাল কবিরকে হাজীগঞ্জে ঘেরাও, বাথরুমে আশ্রয় নিয়ে রক্ষা বাকেরগঞ্জে ঔষধ চুরির অভিযোগে ফার্মাসিস্ট সাময়িক বরখাস্ত

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ছাত্রলীগ কর্মীদের ‘ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ’

পথিক / ১৩৯ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রলীগের  একজন কথা বলেন সময় ডট নেট’র সঙ্গে

পাঁচ অগাস্টের পর একদিনই ক্যাম্পাসে গিয়েছিলেন একটা পরীক্ষায় অংশ নিতে, কিন্তু সেদিনই ‘শিকার হন হামলার’। পরীক্ষা তো দিতেই পারেননি, বরং মামলার আসামি হয়ে জেল খাটতে হয়েছে সাতাশ দিন।

গত দেড় বছর ধরে ক্লাস-পরীক্ষা কোনোটিতেই অংশ নিতে পারছেন না দাবি করে এই কথাগুলো বলছিলেন একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়া খাতুন (ছদ্মনাম)।

“আমি ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম এটা ক্যাম্পাসের সবাই জানতো। ফলে আমি পরীক্ষা দিতে আসার কথা বিভাগে আগেই জানিয়েছিলাম। কিন্তু তারা নিরাপত্তা দিতে পারবেন না বলে আমাকে জানান। আমি মবের শিকার হলে থানায় নেওয়া হয়। পরে বিএনপি অফিসের একটা বিস্ফোরক মামলায় জেলে পাঠানো হয়,” বলছিলেন তিনি।

মিজ খাতুন জানান, জেল থেকে জামিন পাওয়ার পর তিনি আর বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেননি। এখন তার শিক্ষাজীবনই অনিশ্চিত।

“ধরেন আমি অপরাধী, কিংবা বুঝলাম যে আমার একটা শাস্তি হয়েছে। যদি এ রকমটাও হত তাহলেও এই যে লম্বা সময়, সেটা আমার নষ্ট হতো না। আমার তো বয়স আটকায় নেই। কিন্তু আমি অনার্স শেষ করতে পারছি না। আমি কি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাজীবন শুরুর অপেক্ষায় থাকবো, নাকি নতুন করে অন্য কোথাও ভর্তি হবো সেটাও বুঝতে পারছি না,” বলেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এই কর্মী।

বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্লাস-পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছেন না বলে অভিযোগ করছেন সুমাইয়ার মতো বহু শিক্ষার্থী যারা মূলত নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মী।

তাদের কাউকে কাউকে জুলাই আন্দোলনে সাধারণ ছাত্রদের ওপর হামলার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারও করা হয়েছে। আবার অনেকের বিরুদ্ধে তদন্ত চললেও সেই প্রক্রিয়া ঝুলে আছে মাসের পর মাস।

ফলে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের প্রায় দেড় বছর পরও এসে দেখা যাচ্ছে, অনেক শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে আছে, যদিও তারা কেউই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার হননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/