• বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সমকামিতার অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটির বৈঠক চলাকালেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ পরপর দু’টি বোমা উদ্ধারের মধ্যেই পুলিশের সতর্কতা জারি, পরিস্থিতি কতটা উদ্বেগজনক? বাকেরগঞ্জে ট্রাক থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ জাতিসংঘের নিহতের তালিকায় পাবনার রাফির নাম, ভিডিও বার্তায় নিজেকে জীবিত দাবি মির্জাগঞ্জে আওয়ামিলীগ নেতার বাড়ি ভেংগে দিলেন সংসদ আলতাফ হোসেন চৌধুরী মালয়েশিয়া যেতে আগাম লেনদেন ও মেডিকেল টেস্ট নিয়ে সতর্কবার্তা পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পে পিলারের নিচে মাটি কেটে নেওয়ার পর এবার যন্ত্রাংশ চুরির মহোৎসব, দুর্ঘটনার শঙ্কা হোলি আর্টিজানের এক দশক, বাংলাদেশে জঙ্গি তৎপরতা বেড়েছে নাকি কমেছে? সাইপ্রাসের লক্ষ্য ২০২৬ সালের মধ্যে সেনজেন সদস্যপদ বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোরের প্রস্তাব চীনের

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ছাত্রলীগ কর্মীদের ‘ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ’

পথিক / ১৮৮ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রলীগের  একজন কথা বলেন সময় ডট নেট’র সঙ্গে

পাঁচ অগাস্টের পর একদিনই ক্যাম্পাসে গিয়েছিলেন একটা পরীক্ষায় অংশ নিতে, কিন্তু সেদিনই ‘শিকার হন হামলার’। পরীক্ষা তো দিতেই পারেননি, বরং মামলার আসামি হয়ে জেল খাটতে হয়েছে সাতাশ দিন।

গত দেড় বছর ধরে ক্লাস-পরীক্ষা কোনোটিতেই অংশ নিতে পারছেন না দাবি করে এই কথাগুলো বলছিলেন একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়া খাতুন (ছদ্মনাম)।

“আমি ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম এটা ক্যাম্পাসের সবাই জানতো। ফলে আমি পরীক্ষা দিতে আসার কথা বিভাগে আগেই জানিয়েছিলাম। কিন্তু তারা নিরাপত্তা দিতে পারবেন না বলে আমাকে জানান। আমি মবের শিকার হলে থানায় নেওয়া হয়। পরে বিএনপি অফিসের একটা বিস্ফোরক মামলায় জেলে পাঠানো হয়,” বলছিলেন তিনি।

মিজ খাতুন জানান, জেল থেকে জামিন পাওয়ার পর তিনি আর বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেননি। এখন তার শিক্ষাজীবনই অনিশ্চিত।

“ধরেন আমি অপরাধী, কিংবা বুঝলাম যে আমার একটা শাস্তি হয়েছে। যদি এ রকমটাও হত তাহলেও এই যে লম্বা সময়, সেটা আমার নষ্ট হতো না। আমার তো বয়স আটকায় নেই। কিন্তু আমি অনার্স শেষ করতে পারছি না। আমি কি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাজীবন শুরুর অপেক্ষায় থাকবো, নাকি নতুন করে অন্য কোথাও ভর্তি হবো সেটাও বুঝতে পারছি না,” বলেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এই কর্মী।

বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্লাস-পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছেন না বলে অভিযোগ করছেন সুমাইয়ার মতো বহু শিক্ষার্থী যারা মূলত নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মী।

তাদের কাউকে কাউকে জুলাই আন্দোলনে সাধারণ ছাত্রদের ওপর হামলার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারও করা হয়েছে। আবার অনেকের বিরুদ্ধে তদন্ত চললেও সেই প্রক্রিয়া ঝুলে আছে মাসের পর মাস।

ফলে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের প্রায় দেড় বছর পরও এসে দেখা যাচ্ছে, অনেক শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে আছে, যদিও তারা কেউই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার হননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/