• বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সাইপ্রাসের লক্ষ্য ২০২৬ সালের মধ্যে সেনজেন সদস্যপদ বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোরের প্রস্তাব চীনের ১৪ বছরের মধ্যে জিডিপির অনুপাতে বেসরকারি বিনিয়োগ সর্বনিম্ন খুলনায় ফজরের নামাজের সময় অস্ত্র নিয়ে মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদের গুলি পটুয়াখালীতে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের সদস্য গ্রেফতার পর্নোগ্রাফি মামলায় ধরা পড়লেন মাওলানা মিরাজ আহমেদ চাঁদা না পেয়ে ছাত্রদল নেতার হামলায় একজন নিহত, কয়েকজন আহত হয়েছে। মুন্সীগঞ্জে ১৩ বছরের মাদ্রাসাত্রীকে যৌন নির্যাতন,মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দিলে স্থানীয়রা ইরান ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আগ্রাসনবিরোধী চুক্তি করতে চায় সৌদি আরব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।

রাজবাড়ীতে ‘পিটিয়ে হত্যা’র ঘটনা নিয়ে যা জানা যাচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৭৭ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

রাজবাড়ী জেলার পাংশায় একজনকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। ঘটনার ব্যাপারে তিনটি মামলা হয়েছে। একটি মামলায় হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

আসলে কী ঘটেছিল সেখানে-এ নিয়ে পুলিশ, স্থানীয় লোকজন ও নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছে সময়ডটকম

পাংশা উপজেলায় পরিচিত নাম সন্ত্রাসী সম্রাট। এই নাম ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরেই চাঁদাবাজিসহ নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চলে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। যদিও সম্রাটের আসল পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে ওই এলাকার মানুষের মধ্যে।

স্থানীয়দের অনেকে সময়ডটকম কে বলেছেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকাবাসীর আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠেছিল এই নামটি। পুলিশের তালিকায় যার আসল নাম অমৃত মণ্ডল।

বুধবার গভীর রাতে পাংশার হোসেনডাঙা গ্রামে গণপিটুনিতে এই অমৃত মণ্ডলেরই মৃত্যু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, চাঁদাবাজি করতে গিয়ে গ্রামবাসীর হাতে ধরা পড়ে সে।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা অবশ্য দাবি করেছেন, ২০১৪ সালে দেশ ছেড়ে ভারতে চলে গিয়েছিলেন অমৃত মণ্ডল। এরপর আর কখনই বাড়িতে ফেরেনি সে। সন্ত্রাসী সম্রাটের নাম শুনলেও অমৃতই যে সম্রাট এটিও নিশ্চিত নন তারা।

এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এটি কেবলই চাঁদাবাজির ঘটনা নাকি এর মধ্যে অন্য কোনো ঘটনা রয়েছে, সেটি যাচাই করবেন তারা।

“যে গ্রামে গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে সেখানে এক মাস আগে সম্রাটের নাম করে চাঁদা চাওয়া হয়েছিল। যাদের কাছে চাওয়া হয়েছিল তারা পুলিশকে বিষয়টি জানায়নি, কেনো জানানো হলোনা এ নিয়ে আমরা তাদেরকেও প্রশ্ন করেছি,” বিবিসি বাংলাকে বলেন পাংশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মঈনুল ইসলাম।

এদিকে সামাজিক মাধ্যমের আলোচনা এবং দেশি বিদেশি কিছু গণমাধ্যমে এই ঘটনাটিকে সাম্প্রদায়িক হত্যাকাণ্ড হিসেবে তুলে ধরা হয়। যেখানে ময়মনসিংহের ভালুকায় দিপু দাসের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মিলিয়ে সংখ্যালঘু হত্যার বিষয়টিকে আবারো সামনে আনা হয়েছে।

এসব আলোচনার পর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে পাংশার ঘটনা নিয়ে একটি বিবৃতিও দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/