রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ- রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনদের পদত্যাগপত্র তৈরি করে স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য তাদের খোঁজ করেছেন, কিন্তু তারা কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ আসেননি বলে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পাতায় জানিয়েছেন।
ওদিকে ডিনদের পদত্যাগের দাবিতে উপাচার্য, সহ-উপাচার্য, প্রক্টর, রেজিস্ট্রারসহ সব দপ্তরের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয় সাংবাদিকরা জানিয়েছেন।
জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়জন ডিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর প্রতিবাদেই ও ডিনদের পদত্যাগের দাবিতে আজ ক্যাম্পাসে কর্মসূচি পালন করেছেন সালাউদ্দিন আম্মার।
এ সময় বিভিন্ন কার্যালয়ে গিয়ে যারা তালা দিয়েছে, তারা ক্যাম্পাসে মি. আম্মারের অনুসারী হিসেবে পরিচিত বলে সাংবাদিকরা জানিয়েছেন।
কর্মসূচি পালনের সময় তিনি নিজেই সাংবাদিকদের সামনে ডিনদের ফোন করেন।
ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পাতায় বিকেল ৪টা ৫১ মিনিটে দেয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন “কল দিছিলাম একজনের পায়ে ব্যাথা, একজন এন্টিবায়োটিক খাইতেছে, ৩জন অসুস্থ, একজন রাজশাহীর বাইরে। পদত্যাগপত্র আমার বন্ধু মব AAB Zubairএর অনুপ্রেরণায় বানানো”।
এর আগে বেলা ১২টা ৫০ মিনিটে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছিলেন যে তিনি শিক্ষকদের একটি তালিকা করেছেন যারা তার ভাষায় “বিগত জুলাইয়ে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান করা”।
ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন “ ১.আওয়ামীপন্থী ৬জন ডিনের কেউ ক্যাম্পাসে আসেনি, তাদের কল দেওয়া হয়েছিলো তখন তারা জানিয়েছে তারা ভিসি মহোদয়কে জানিয়েছে তারা দায়িত্বে থাকবেনা। এখন দেখতে চাই ভিসি কি সিদ্ধান্ত নেন। ২. তৎকালীন ভিসি, প্রো-ভিসি ক্লাস নেওয়ার খবর পেয়ে আজ গিয়েছিলাম তারাও একরকম পলাতক। ৩. নোমানী হত্যা মামলার ১১ নম্বর আসামী আইইআর বিভাগের শিক্ষক ফয়সাল Excursion এ গিয়েছেন শিক্ষার্থীদের সাথে”।
ওই পোস্টে তিনি আরও লিখেন “ এবং আজ মোটামুটি সব দপ্তরে আওয়ামীপন্থীদের দপ্তরগুলো তালাবদ্ধ। আমিও এটাই চাই, বিচার না হওয়া পর্যন্ত তালাবদ্ধ থাকুক। সাথে সাথে একটা তালিকা করেছি বিগত জুলাইয়ে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান করা শিক্ষকদের”।
ছবির উৎস,www.facebook.com/salahuddin.ammar.94
https://slotbet.online/