৭৬ বছর বয়সি নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ, জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যাবহারের তিনটি মামলায় বিচারাধীন। চলমান এসব মামলায় দোষ স্বীকার বা কোনো ধরনের অনুশোচনা না করে ক্ষমার আবেদন করার কয়েক ঘণ্টা পর এই বিক্ষোভ শুরু হয়।
এই বিক্ষোভে বিরোধী দলীয় এমপি নাআমা লাজিমিসহ অনেকে অংশ নেন। একজন বিক্ষোভকারী কয়েদিদের মতো কমলা রঙের পোশাক পরে এবং অনেকে কলার স্তূপ সাজিয়ে ব্যঙ্গাত্মকভাবে প্রতিবাদ জানান।
বিশিষ্ট সরকারাবিরোধী আন্দোলনকর্মী শিকমা ব্রেসলার বলেন, ‘তিনি (নেতানিয়াহু) কোনো দায়ভার না নিয়ে, দেশকে যেভাবে বিভক্ত করেছেন তার কোনো মূল্য না দিয়ে, বিচার বাতিল করতে চাইছেন। ইসরাইলের ভবিষ্যৎ এখান ঝুঁকির মুখে।’
নেতানিয়াহু ইসরাইলের দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালনকারী প্রধানমন্ত্রী। মামলায় ঘুষ, জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তিনি সবসময় অস্বীকার করে এসেছেন।
তার আইনজীবীরা প্রেসিডেন্টের দফতরে পাঠানো এক চিঠিতে বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখনও বিশ্বাস করেন আইনি প্রক্রিয়ার ফল হবে বেকসুর খালাস।
নিজ দল লিকুদ পার্টির প্রকাশিত এক সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আজ আমার আইনজীবীরা দেশের প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমার অনুরোধ পাঠিয়েছেন। আশা করি দেশের মঙ্গল কামনা করেন এমন যে কেউ এ উদ্যোগকে সমর্থন করবেন।’
ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্জোগের কার্যালায় রোববার নেতানিয়াহুর এই অনুরোধ পাওয়ার কথা জানিয়ে আইনজীবীদের পাঠানো চিঠিটি প্রকাশ করে।
এর আগে গত মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে ক্ষমা করে দেয়ার কথা বিবেচনার জন্য ইসরাইলের প্রেসিডেন্টের কাছে চিঠি লিখেছিলেন।