বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে খবর রয়েছে ঢাকা থেকে প্রকাশিত আজকের সংবাদপত্রগুলোতে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি নিয়েও খবর আছে অনেক পত্রিকায়।
‘ভূমিকম্পের উচ্চঝুঁকিতে ৫ বড় হাসপাতাল’ যুগান্তরের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, ভূমিকম্পের কারণে যদি কেউ আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যেতে চান, তিনি কি সময়মতো জরুরি চিকিৎসা পাবেন-এমন প্রশ্ন এখন জনমনে ঘুরেফিরে উঠছে।
বিশেষ করে, মাত্র দুসপ্তাহের মধ্যে বেশ কয়েকবার ভূমিকম্পের পর এমন প্রশ্ন বড় করে সামনে আসছে। বলা হচ্ছে, বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যাবেন। কিন্তু সেই হাসপাতাল ঠিক আছে তো! ঝুকিপূর্ণ নয়তো?
দেশের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে এমন আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে খোঁজ নিয়ে আট বছর আগের এক জরিপ থেকে জানা যায়, ঢাকার ২৪৮টি হাসপাতাল ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে ১৭৪টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ। আবার এই তালিকায় ঢাকায় ৫টি বড় হাসপাতাল রয়েছে ভূমিকম্পের বিপজ্জনক ঝুঁকিতে।
এই হাসপাতালগুলো হলো- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক), স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিডফোর্ড হাসপাতাল), বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (সাবেক পিজি হাসপাতাল), জাতীয় অর্থোপেডিক ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (পঙ্গু হাসপাতাল) এবং বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট।
এসব হাসপাতালের মধ্যে মিটফোর্ডের কয়েকটি ভবনের বয়স ১৫০ বছর, ঢামেকের একটি ভবনের বয়স ১২০ বছর, পিজি হাসপাতালের দুটি ভবনের বয়স ৬৫ বছর, পঙ্গু ও শিশু হাসপাতালের বয়স ৫৩ বছর। অথচ এসব পুরোনো জরাজীর্ণ ভবনে চলছে চিকিৎসা, পাঠদান, এমনকি আবাসিক হিসাবেও ব্যবহার হচ্ছে।

‘পিলখানা ট্র্যাজেডি নিয়ে কমিশনের প্রতিবেদন: ২৪ ভারতীয় ছিলেন সরাসরি হত্যাকাণ্ডে’ আজকের পত্রিকার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিভিন্ন স্তরের মোট ৪৯ জনকে দায়ী করেছে স্বাধীন তদন্ত কমিশন । ওই তালিকায় রাজনীতিবিদ , সাবেক সামরিক কর্মকর্তা , গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য , র্যাব ও বিডিআর কর্মকর্তা , সাবেক ও বর্তমান আইজিপি এবং তিনজন সংবাদমাধ্যমকর্মীর নাম রয়েছে।
https://slotbet.online/