• শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রংপুরের চার খুন মামলার দুই আসামির ডোপ টেস্টে মাদকের অস্তিত্ব মেলেনি, পুলিশ কী বলছে? শেখ হাসিনার কলাম || গণতন্ত্র নাকি উগ্রবাদ? বিপজ্জনক সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশ ৩০ বছর পর ডাকাতি মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার সমকামিতার অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটির বৈঠক চলাকালেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ পরপর দু’টি বোমা উদ্ধারের মধ্যেই পুলিশের সতর্কতা জারি, পরিস্থিতি কতটা উদ্বেগজনক? বাকেরগঞ্জে ট্রাক থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ জাতিসংঘের নিহতের তালিকায় পাবনার রাফির নাম, ভিডিও বার্তায় নিজেকে জীবিত দাবি মির্জাগঞ্জে আওয়ামিলীগ নেতার বাড়ি ভেংগে দিলেন সংসদ আলতাফ হোসেন চৌধুরী মালয়েশিয়া যেতে আগাম লেনদেন ও মেডিকেল টেস্ট নিয়ে সতর্কবার্তা পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পে পিলারের নিচে মাটি কেটে নেওয়ার পর এবার যন্ত্রাংশ চুরির মহোৎসব, দুর্ঘটনার শঙ্কা

ময়মনসিংহ ও লক্ষীপুরের মব সহিংসতার ঘটনায় আসকের নিন্দা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২৩৪ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫

ভালুকায় পুড়িয়ে হত্যা আর লক্ষ্মীপুরে আগুনে শিশু হত্যায় আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নিন্দা মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) ময়মনসিংহের ভালুকা ও লক্ষ্মীপুর জেলায় সংঘটিত দুটি পৃথক ‘ভয়াবহ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের’ ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ করেছে।

সংস্থাটি তাদের বিবৃতিতে বলেছে, “এ সকল ঘটনা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, রাজনৈতিক কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয়, আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করছে। ময়মনসিংহের ভালুকায় কথিত ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে পাইওনিয়ার্স নিটওয়্যারস (বিডি) লিমিটেড কারখানার কর্মী দিপু চন্দ্র দাসকে গত ১৮ ডিসেম্বর পরিকল্পিত মব তৈরি করে সংঘবদ্ধভাবে ধরে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

পরবর্তীতে তাঁর মরদেহ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভাজকের একটি গাছে বিবস্ত্র অবস্থায় ঝুলিয়ে রেখে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। অন্যদিকে লক্ষ্মীপুর জেলায় ১৯শে ডিসেম্বর রাতে বিএনপি নেতা বেলাল হোসেনের বাড়িতে দুর্বৃত্তরা তালা লাগিয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় ঘরের ভেতরে থাকা সাত বছর বয়সী এক শিশুকন্যা অগ্নিদগ্ধ হয়ে নিহত হয়।

এসব ঘটনার বিবরণ তুলে ধরে আসক তাদের বিবৃতিতে বলেছে, “এ ধরনের নৃশংস সহিংসতা আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ থাকছে না। বারবার এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি প্রমাণ করে যে, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর, দৃষ্টান্তমূলক ও বিচার নিশ্চিত না হওয়ায় এক ধরনের দায়মুক্তির সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। কেবল ঘটনার পর আটক বা গ্রেপ্তার করলেই রাষ্ট্রের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না”।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ব্যক্তিদের পাশাপাশি উস্কানিদাতা, পরিকল্পনাকারী এবং সংঘবদ্ধ সহিংসতায় মদদ দাতাদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে, এ ধরনের ঘটনার পেছনে থাকা প্রশাসনিক ব্যর্থতার বিষয়গুলোও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন”।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/