• শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রংপুরের চার খুন মামলার দুই আসামির ডোপ টেস্টে মাদকের অস্তিত্ব মেলেনি, পুলিশ কী বলছে? শেখ হাসিনার কলাম || গণতন্ত্র নাকি উগ্রবাদ? বিপজ্জনক সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশ ৩০ বছর পর ডাকাতি মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার সমকামিতার অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটির বৈঠক চলাকালেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ পরপর দু’টি বোমা উদ্ধারের মধ্যেই পুলিশের সতর্কতা জারি, পরিস্থিতি কতটা উদ্বেগজনক? বাকেরগঞ্জে ট্রাক থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ জাতিসংঘের নিহতের তালিকায় পাবনার রাফির নাম, ভিডিও বার্তায় নিজেকে জীবিত দাবি মির্জাগঞ্জে আওয়ামিলীগ নেতার বাড়ি ভেংগে দিলেন সংসদ আলতাফ হোসেন চৌধুরী মালয়েশিয়া যেতে আগাম লেনদেন ও মেডিকেল টেস্ট নিয়ে সতর্কবার্তা পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পে পিলারের নিচে মাটি কেটে নেওয়ার পর এবার যন্ত্রাংশ চুরির মহোৎসব, দুর্ঘটনার শঙ্কা

আমাদের মুক্তিযুদ্ধ প্রতিদিন ৯ ডিসেম্বর ১৯৭১

প্রতিনিধি / ১৮৯ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

  • ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর ছিল মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের ঠিক এক সপ্তাহ আগের দিন, যখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চূড়ান্ত লড়াই চলছিল; বিশেষত, এই দিনে জগন্নাথপুর থানা শত্রুমুক্ত হয়, ফরিদপুরের করিমপুরে কাদেরীয়া বাহিনীর বীরত্বপূর্ণ যুদ্ধ হয়, এবং দিল্লিতে বাংলাদেশ মিশন প্রধান হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ঘোষণা করেন যে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই ঢাকা মুক্ত হবে, যা ছিল বিজয়ের চূড়ান্ত ক্ষণের বার্তা। পাকিস্তানি বাহিনী বুঝতে পারছিল যে তারা যুদ্ধে টিকতে পারবে না, তাই তারা বুদ্ধিজীবী নিধনের মতো ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছিল।
    ৯ ডিসেম্বরের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলি:
    জগন্নাথপুর মুক্ত: সিলেট অঞ্চলের জগন্নাথপুর থানা হানাদারমুক্ত হয়েছিল এবং এই দিনে শ্রীরামিসি ও রানীগঞ্জে বর্বরতম দুটি ঘটনা ঘটেছিল।
    ফরিদপুরের সম্মুখযুদ্ধ: ফরিদপুরের করিমপুরে কাদেরীয়া বাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মুখযুদ্ধে তরুণ যোদ্ধা কাজী সালাউদ্দিন শহীদ হন, যা ছিল বিজয়ের ঠিক ৭ দিন আগের একটি বড় আত্মত্যাগ।
    ঢাকাকে ঘিরে চূড়ান্ত প্রস্তুতি: ঢাকায় তখন চূড়ান্ত বিজয়ের প্রস্তুতি চলছিল। দিল্লিতে বাংলাদেশ মিশনের প্রধান হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ঘোষণা করেন যে শীঘ্রই ঢাকা মুক্ত হবে এবং প্রয়োজনে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সেনারা পশ্চিম পাকিস্তানেও যুদ্ধ চালিয়ে যাবে।
    পাকিস্তানিদের পরাজয় স্পষ্ট: ডিসেম্বরের শুরু থেকেই পাকিস্তানি বাহিনী বুঝতে পারছিল যে তাদের পক্ষে যুদ্ধ জেতা সম্ভব নয়, তাই তারা সাংস্কৃতিক ও সামাজিকভাবে দেশকে পঙ্গু করতে বুদ্ধিজীবী নিধনের পরিকল্পনা শুরু করে।
    সর্বাত্মক প্রতিরোধ: এই সময় দেশের সকল স্তরের মানুষ (ছাত্র, শিক্ষক, কৃষক, শ্রমিক, পেশাজীবী, নারী) নিজ নিজ অবস্থান থেকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, যা ছিল এই “গণযুদ্ধ”-এর মূল চালিকাশক্তি।
    সংক্ষেপে, ৯ ডিসেম্বর ছিল বিজয়ের প্রাক্কালে এক উত্তাল দিন, যেখানে একদিকে যেমন চূড়ান্ত প্রতিরোধ ও লড়াই চলছিল, তেমনি অন্যদিকে বিজয়ের বার্তা ধ্বনিত হচ্ছিল।
    সুত্র উইকেপিডিয়া


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/