গুগলের এই বিশেষ ব্যবস্থাটি ‘অ্যান্ড্রয়েড আর্থকোয়েক অ্যালার্ট সিস্টেম’ নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে প্রতিটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনকে একটি ছোট ‘সিসমোমিটার’ বা কম্পন মাপক যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
১. সেন্সর ব্যবহার: প্রতিটি স্মার্টফোনের ভেতরেই অ্যাক্সিলোমিটার নামের ক্ষুদ্র সেন্সর থাকে, যা ফোনের নড়াচড়া বা মাটির কম্পন বুঝতে পারে।
২. P-তরঙ্গ শনাক্তকরণ: ভূমিকম্প শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুটি তরঙ্গ সৃষ্টি হয়। দ্রুতগামী P-wave (প্রাথমিক তরঙ্গ) কম ক্ষতিকর, কিন্তু ধীরগামী S-wave (মাধ্যমিক তরঙ্গ) অনেক বেশি বিধ্বংসী। স্থির অবস্থায় থাকা বা চার্জে থাকা ফোনগুলো প্রথমে এই P-wave শনাক্ত করে।
৩. সার্ভারে তথ্য প্রেরণ: কোনো একটি এলাকার একাধিক ফোন একই সময়ে P-wave-এর মতো অস্বাভাবিক কম্পন শনাক্ত করলে, সেই সংকেতটি ফোনের লোকেশনসহ দ্রুত গুগলের ডেডিকেটেড সার্ভারে পাঠানো হয়।
৪. বিশ্লেষণ ও সতর্কবার্তা: গুগল সার্ভার এই বিপুল সংখ্যক তথ্য দ্রুত বিশ্লেষণ করে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল এবং সম্ভাব্য মাত্রা নিশ্চিত করে। যেহেতু ইন্টারনেট সংকেত কম্পনের চেয়ে অনেক দ্রুত গতিতে চলাচল করে, তাই গুরুতর কম্পন পৌঁছানোর কয়েক সেকেন্ড আগে আশপাশের ব্যবহারকারীদের ফোনে সতর্কবার্তা পাঠিয়ে দেয়া হয়।
https://slotbet.online/