• শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সমকামিতার অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটির বৈঠক চলাকালেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ পরপর দু’টি বোমা উদ্ধারের মধ্যেই পুলিশের সতর্কতা জারি, পরিস্থিতি কতটা উদ্বেগজনক? বাকেরগঞ্জে ট্রাক থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ জাতিসংঘের নিহতের তালিকায় পাবনার রাফির নাম, ভিডিও বার্তায় নিজেকে জীবিত দাবি মির্জাগঞ্জে আওয়ামিলীগ নেতার বাড়ি ভেংগে দিলেন সংসদ আলতাফ হোসেন চৌধুরী মালয়েশিয়া যেতে আগাম লেনদেন ও মেডিকেল টেস্ট নিয়ে সতর্কবার্তা পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পে পিলারের নিচে মাটি কেটে নেওয়ার পর এবার যন্ত্রাংশ চুরির মহোৎসব, দুর্ঘটনার শঙ্কা হোলি আর্টিজানের এক দশক, বাংলাদেশে জঙ্গি তৎপরতা বেড়েছে নাকি কমেছে? সাইপ্রাসের লক্ষ্য ২০২৬ সালের মধ্যে সেনজেন সদস্যপদ বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোরের প্রস্তাব চীনের

ভুমিকম্পের সতর্কবার্তা পাওয়া যাবে মোবাইলে।

ডেস্ক রিপোর্ট / ২৪৫ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫

ভূমিকম্প আঘাত হানার কয়েক সেকেন্ড আগেই একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা আপনার ফোনে পৌঁছে যেতে পারে, যা আপনাকে আত্মরক্ষার জন্য মহামূল্যবান সময় দেবে। গুগল এবং কিছু প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্মার্টফোনের অন্তর্নির্মিত সেন্সর ব্যবহার করে এই ‘আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম’ চালু করেছে। 

কীভাবে কাজ করে আপনার স্মার্টফোন?

গুগলের এই বিশেষ ব্যবস্থাটি ‘অ্যান্ড্রয়েড আর্থকোয়েক অ্যালার্ট সিস্টেম’ নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে প্রতিটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনকে একটি ছোট ‘সিসমোমিটার’ বা কম্পন মাপক যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

১. সেন্সর ব্যবহার: প্রতিটি স্মার্টফোনের ভেতরেই অ্যাক্সিলোমিটার নামের ক্ষুদ্র সেন্সর থাকে, যা ফোনের নড়াচড়া বা মাটির কম্পন বুঝতে পারে।

২. P-তরঙ্গ শনাক্তকরণ: ভূমিকম্প শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুটি তরঙ্গ সৃষ্টি হয়। দ্রুতগামী P-wave (প্রাথমিক তরঙ্গ) কম ক্ষতিকর, কিন্তু ধীরগামী S-wave (মাধ্যমিক তরঙ্গ) অনেক বেশি বিধ্বংসী। স্থির অবস্থায় থাকা বা চার্জে থাকা ফোনগুলো প্রথমে এই P-wave শনাক্ত করে।

৩. সার্ভারে তথ্য প্রেরণ: কোনো একটি এলাকার একাধিক ফোন একই সময়ে P-wave-এর মতো অস্বাভাবিক কম্পন শনাক্ত করলে, সেই সংকেতটি ফোনের লোকেশনসহ দ্রুত গুগলের ডেডিকেটেড সার্ভারে পাঠানো হয়।

৪. বিশ্লেষণ ও সতর্কবার্তা: গুগল সার্ভার এই বিপুল সংখ্যক তথ্য দ্রুত বিশ্লেষণ করে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল এবং সম্ভাব্য মাত্রা নিশ্চিত করে। যেহেতু ইন্টারনেট সংকেত কম্পনের চেয়ে অনেক দ্রুত গতিতে চলাচল করে, তাই গুরুতর কম্পন পৌঁছানোর কয়েক সেকেন্ড আগে আশপাশের ব্যবহারকারীদের ফোনে সতর্কবার্তা পাঠিয়ে দেয়া হয়।


এই কয়েক সেকেন্ড সময়ই ব্যবহারকারীকে ‘ড্রপ, কভার এবং হোল্ড অন’ (নুইয়ে পড়ুন, আশ্রয় নিন এবং ধরে রাখুন) নীতি মেনে নিজেকে সুরক্ষিত করার মহামূল্যবান সুযোগ দেয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/