• বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মির্জাগঞ্জে আওয়ামিলীগ নেতার বাড়ি ভেংগে দিলেন সংসদ আলতাফ হোসেন চৌধুরী মালয়েশিয়া যেতে আগাম লেনদেন ও মেডিকেল টেস্ট নিয়ে সতর্কবার্তা পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পে পিলারের নিচে মাটি কেটে নেওয়ার পর এবার যন্ত্রাংশ চুরির মহোৎসব, দুর্ঘটনার শঙ্কা হোলি আর্টিজানের এক দশক, বাংলাদেশে জঙ্গি তৎপরতা বেড়েছে নাকি কমেছে? সাইপ্রাসের লক্ষ্য ২০২৬ সালের মধ্যে সেনজেন সদস্যপদ বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোরের প্রস্তাব চীনের ১৪ বছরের মধ্যে জিডিপির অনুপাতে বেসরকারি বিনিয়োগ সর্বনিম্ন খুলনায় ফজরের নামাজের সময় অস্ত্র নিয়ে মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদের গুলি পটুয়াখালীতে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের সদস্য গ্রেফতার পর্নোগ্রাফি মামলায় ধরা পড়লেন মাওলানা মিরাজ আহমেদ

শেখ হাসিনার বিচারের আন্তর্জাতিক তদন্ত চায় আব্দুল মোমেন।

প্রতিনিধি / ১৬৫ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫

👉:- শেখ হাসিনার বিচার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, আন্তর্জাতিক তদন্ত চান ড. মোমেন

👇:- নিজস্ব প্রতিবেদক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে পরিচালিত বিচার প্রক্রিয়া ও মৃত্যুদণ্ডের রায়কে একটি “রাজনৈতিক প্রতিহিংসা” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি অধ্যাপক ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেছেন, এই বিচার প্রক্রিয়া শুরু থেকেই ত্রুটিপূর্ণ ছিল এবং এটি কোনোভাবেই আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারের মানদণ্ড পূরণ করে না।

ড. মোমেন তার বিবৃতিতে বলেন, “এই মামলার বিচারক, কৌঁসুলি এবং সাক্ষীরা সবাই রাজনৈতিকভাবে বর্তমান ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে জোটবদ্ধ, যারা জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতা গ্রহণ করেছে। যখন কোনো বিচার ব্যবস্থার প্রতিটি অংশই আসামির রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের নিয়ন্ত্রণে থাকে, তখন সেই বিচার তার সব বৈধতা হারায়।”

তিনি আরও বলেন, “যে ট্রাইব্যুনালে এই বিচার হয়েছে, তার স্বাধীনতা নিয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত রায় দেওয়ার ইতিহাস এই আদালতের রয়েছে।”

বিবৃতিতে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে নজিরবিহীন দ্রুতগতিতে বিচারকাজ শেষ করার তীব্র সমালোচনা করা হয়। ড. মোমেন বলেন, “শেখ হাসিনাকে আত্মপক্ষ সমর্থন, সাক্ষী জেরা করা বা তার বিরুদ্ধে আনা বানোয়াট প্রমাণকে চ্যালেঞ্জ করার কোনো সুযোগই দেওয়া হয়নি। এটি ন্যায়বিচারের ಮೂಲ নীতির সম্পূর্ণ লঙ্ঘন।”

তিনি আরও একটি উদ্বেগজনক বিষয় তুলে ধরে বলেন, “শেখ হাসিনাকে তার নিজের পছন্দের আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এমনকি সরকার কর্তৃক নিযুক্ত আইনজীবীকেই একটি ভিডিওতে তার মৃত্যুদণ্ড কামনা করতে দেখা গেছে, যা গোটা বিচার প্রক্রিয়াকে একটি প্রহসনে পরিণত করেছে।”

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জাতিসংঘ ইতোমধ্যে এই বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, আদালতের স্বাধীনতা এবং মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তিনি বলেন, “জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার স্পষ্ট করেছেন যে, যে বিচারব্যবস্থায় ন্যূনতম স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নেই, সেখানে মৃত্যুদণ্ডের মতো শাস্তি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।”

ড. মোমেন এই বিচারকে “রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমনের একটি নগ্ন হাতিয়ার” বলে অভিহিত করে বাংলাদেশে আইনের শাসন পুনরুদ্ধারের জন্য পুরো বিচার প্রক্রিয়ার একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক পর্যালোচনার দাবি জানান।

বিবৃতির শেষে তিনি বলেন, “জুলাইয়ের ঘটনার শিকারদের জন্য প্রকৃত ন্যায়বিচার রাজনৈতিক নাটকের মাধ্যমে অর্জন করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে একটি স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা এবং আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার ওপর।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/