• মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৭:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মির্জাগঞ্জে আওয়ামিলীগ নেতার বাড়ি ভেংগে দিলেন সংসদ আলতাফ হোসেন চৌধুরী মালয়েশিয়া যেতে আগাম লেনদেন ও মেডিকেল টেস্ট নিয়ে সতর্কবার্তা পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পে পিলারের নিচে মাটি কেটে নেওয়ার পর এবার যন্ত্রাংশ চুরির মহোৎসব, দুর্ঘটনার শঙ্কা হোলি আর্টিজানের এক দশক, বাংলাদেশে জঙ্গি তৎপরতা বেড়েছে নাকি কমেছে? সাইপ্রাসের লক্ষ্য ২০২৬ সালের মধ্যে সেনজেন সদস্যপদ বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোরের প্রস্তাব চীনের ১৪ বছরের মধ্যে জিডিপির অনুপাতে বেসরকারি বিনিয়োগ সর্বনিম্ন খুলনায় ফজরের নামাজের সময় অস্ত্র নিয়ে মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদের গুলি পটুয়াখালীতে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের সদস্য গ্রেফতার পর্নোগ্রাফি মামলায় ধরা পড়লেন মাওলানা মিরাজ আহমেদ

দেশের আবাসিক মাদ্রাসায় প্রতিনিয়ত ঘটছে যৌন নির্যাতন।

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৩৯ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

 

 নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় মেয়েদের একটি আবাসিক কওমি মাদ্রাসায় একজন ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠার পর অভিযুক্ত শিক্ষককে আটকের জন্য অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তবে গত কয়েক মাসে দেশের বিভিন্ন জায়গায় আবাসিক মাদ্রাসায় প্রায় একই ধরনের বেশ কয়েকটি যৌন নির্যাতনের ঘটনার কারণে সারাদেশের আবাসিক মাদ্রাসাগুলোতে শিশু-কিশোর, বিশেষ করে মেয়ে শিশুদের নিরাপত্তার প্রসঙ্গটি সামনে এসেছে।

প্রশ্ন উঠছে, আবাসিক মাদ্রাসায় থাকা মেয়েদের যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত কীভাবে করা হচ্ছে এবং কারা এগুলোর দেখভাল করছে। আবার এ ধরনের মাদ্রাসা দেশে কতগুলো আছে সেগুলোর পুর্ণাঙ্গ তথ্যও খুব একটা পাওয়া যায় না।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, কওমি আবাসিক মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা পুরোটাই এর প্রতিষ্ঠাতা বা মালিকের নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং তিনিই তার মতো করে এগুলো চালান। কোনও কোনও জায়গায় একটি পরিচালনা কমিটি থাকলেও সেটি মালিকের নির্দেশেই পরিচালিত হয়।

আবার পুলিশ বা প্রশাসন মাদ্রাসার বিষয়ে নিজ থেকে উদ্যোগী হয়ে কোনও পদক্ষেপ নিতে চায় না ধর্মকেন্দ্রিক অপপ্রচারের আশঙ্কায়।

ইসলাম বিষয়ক লেখক ও গবেষক মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ বলছেন শক্ত মনিটরিং ও নিশ্ছিদ্র জবাবদিহিতার ব্যবস্থা নিশ্চিত হলে মাদ্রাসাকেন্দ্রিক নৈতিক বিচ্যুতির যেসব ঘটনার অভিযোগ আসছে সেগুলো থেকে মাদ্রাসাগুলোকে নিরাপদ রাখা যাবে।

কওমি মাদ্রাসার ছয়টি বোর্ডের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মাদ্রাসা বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ (বেফাক হিসেবে পরিচিত)-এর অধীনে। এর সহকারী মহাপরিচালক মাওলানা ইসমাইল হোসেন বলছেন, তাদের অধীনে থাকা মাদ্রাসার জন্য ৩০ জন পরিদর্শক আছেন, যারা নিয়মিত মাদ্রাসা পরিদর্শন করে থাকেন।

আবার মাদ্রাসা বোর্ড থেকে তদারকির কথা থাকলেও বড় আকারের সুপরিচিত মাদ্রাসাগুলো ছাড়া অন্য কওমি মাদ্রাসার যেগুলো ছোটো বাচ্চাদের হিফজ শিক্ষাদান করে সেখানে তদারকি বলতে কিছু নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/