• সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১০:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চাঁদা না পেয়ে ছাত্রদল নেতার হামলায় একজন নিহত, কয়েকজন আহত হয়েছে। মুন্সীগঞ্জে ১৩ বছরের মাদ্রাসাত্রীকে যৌন নির্যাতন,মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দিলে স্থানীয়রা ইরান ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আগ্রাসনবিরোধী চুক্তি করতে চায় সৌদি আরব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। নিখোঁজের ১০ দিন পর মিলল মা-মেয়ের অর্ধগলিত মরদেহ বাকেরগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জনকে কারাদণ্ড দীর্ঘদিন পালিয়ে থেকেও শেষ রক্ষা হলোনা যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ইউপি সদস্য কালামের বাকেরগঞ্জে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ঝালকাঠির সেই বিতর্কিত দুর্নীতিবাজ উপজেলা প্রকৌশলী ইকবাল কবিরকে হাজীগঞ্জে ঘেরাও, বাথরুমে আশ্রয় নিয়ে রক্ষা বাকেরগঞ্জে ঔষধ চুরির অভিযোগে ফার্মাসিস্ট সাময়িক বরখাস্ত

দেশের আবাসিক মাদ্রাসায় প্রতিনিয়ত ঘটছে যৌন নির্যাতন।

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬১ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

 

 নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় মেয়েদের একটি আবাসিক কওমি মাদ্রাসায় একজন ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠার পর অভিযুক্ত শিক্ষককে আটকের জন্য অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তবে গত কয়েক মাসে দেশের বিভিন্ন জায়গায় আবাসিক মাদ্রাসায় প্রায় একই ধরনের বেশ কয়েকটি যৌন নির্যাতনের ঘটনার কারণে সারাদেশের আবাসিক মাদ্রাসাগুলোতে শিশু-কিশোর, বিশেষ করে মেয়ে শিশুদের নিরাপত্তার প্রসঙ্গটি সামনে এসেছে।

প্রশ্ন উঠছে, আবাসিক মাদ্রাসায় থাকা মেয়েদের যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত কীভাবে করা হচ্ছে এবং কারা এগুলোর দেখভাল করছে। আবার এ ধরনের মাদ্রাসা দেশে কতগুলো আছে সেগুলোর পুর্ণাঙ্গ তথ্যও খুব একটা পাওয়া যায় না।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, কওমি আবাসিক মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা পুরোটাই এর প্রতিষ্ঠাতা বা মালিকের নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং তিনিই তার মতো করে এগুলো চালান। কোনও কোনও জায়গায় একটি পরিচালনা কমিটি থাকলেও সেটি মালিকের নির্দেশেই পরিচালিত হয়।

আবার পুলিশ বা প্রশাসন মাদ্রাসার বিষয়ে নিজ থেকে উদ্যোগী হয়ে কোনও পদক্ষেপ নিতে চায় না ধর্মকেন্দ্রিক অপপ্রচারের আশঙ্কায়।

ইসলাম বিষয়ক লেখক ও গবেষক মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ বলছেন শক্ত মনিটরিং ও নিশ্ছিদ্র জবাবদিহিতার ব্যবস্থা নিশ্চিত হলে মাদ্রাসাকেন্দ্রিক নৈতিক বিচ্যুতির যেসব ঘটনার অভিযোগ আসছে সেগুলো থেকে মাদ্রাসাগুলোকে নিরাপদ রাখা যাবে।

কওমি মাদ্রাসার ছয়টি বোর্ডের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মাদ্রাসা বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ (বেফাক হিসেবে পরিচিত)-এর অধীনে। এর সহকারী মহাপরিচালক মাওলানা ইসমাইল হোসেন বলছেন, তাদের অধীনে থাকা মাদ্রাসার জন্য ৩০ জন পরিদর্শক আছেন, যারা নিয়মিত মাদ্রাসা পরিদর্শন করে থাকেন।

আবার মাদ্রাসা বোর্ড থেকে তদারকির কথা থাকলেও বড় আকারের সুপরিচিত মাদ্রাসাগুলো ছাড়া অন্য কওমি মাদ্রাসার যেগুলো ছোটো বাচ্চাদের হিফজ শিক্ষাদান করে সেখানে তদারকি বলতে কিছু নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/