• বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০১:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সাইপ্রাসের লক্ষ্য ২০২৬ সালের মধ্যে সেনজেন সদস্যপদ বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোরের প্রস্তাব চীনের ১৪ বছরের মধ্যে জিডিপির অনুপাতে বেসরকারি বিনিয়োগ সর্বনিম্ন খুলনায় ফজরের নামাজের সময় অস্ত্র নিয়ে মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদের গুলি পটুয়াখালীতে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের সদস্য গ্রেফতার পর্নোগ্রাফি মামলায় ধরা পড়লেন মাওলানা মিরাজ আহমেদ চাঁদা না পেয়ে ছাত্রদল নেতার হামলায় একজন নিহত, কয়েকজন আহত হয়েছে। মুন্সীগঞ্জে ১৩ বছরের মাদ্রাসাত্রীকে যৌন নির্যাতন,মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দিলে স্থানীয়রা ইরান ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আগ্রাসনবিরোধী চুক্তি করতে চায় সৌদি আরব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।

প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পেলেন মঠবাড়িয়া পৌরসভার তৃতীয় শ্রেনীর কর্মচারী সেলিম মল্লিক

মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি / ১৪১ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পেলেন মঠবাড়িয়া পৌরসভার তৃতীয় শ্রেনীর কর্মচারী সেলিম মল্লিক

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার মঠবাড়িয়া পৌরসভায় কর্মরত ৩য় শ্রেনীর কর্মচারী (নকশাকার) সেলিম মল্লিককে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর – ৩ (মঠবাড়িয়া) আসনের টিকিকাটা নূরিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসএসসি পাশ করা সেলিম মল্লিক ময়নামতি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার থেকে ৩ মাসের জমি জরিপের কোর্সের সনদ দিয়ে মঠবাড়িয়া পৌরসভায় নকশাকার পদে যোগদান করেন। মাধ্যমিকের পর উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অর্জন না করলেও সাবেক পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিউদ্দিন আহমেদ ফেরদৌস মনগড়া নিয়মে সেলিম মল্লিককে উপ সহকারী প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) বানিয়ে দেন।আর এ পদ ব্যবহার করে বিধিবহির্ভূতভাবে কোটি কোটি টাকার প্রকল্পে স্বাক্ষর করিয়ে পৌরসভাটিকে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভয়ারণ্যে পরিনত করেন তিনি। মন্ত্রনালয়ের কোন চিঠি ছাড়া পৌর মেয়র একজন নকশাকারকে উপ সহকারী প্রকৌশলী পদে বসিয়ে একদিকে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন অন্যদিকে সরকারী বিধি অমান্য করে শপথ ভঙ্গ করেছেন।আর এখনও ওই কর্মচারী নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে ভুয়া উপ সহকারী প্রকৌশলী পদটি ব্যবহার করছেন বলে ধারনা অনেকেরই।

একজন ৩য় শ্রেনীর কর্মচারী কিভাবে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পায় তা জানতে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও রিটার্নিং অফিসার আবু সাঈদ এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার আকলিমা আক্তারকে একাধিকবার ফোন দিয়েও কথা বলা সম্ভব হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/