• বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সাইপ্রাসের লক্ষ্য ২০২৬ সালের মধ্যে সেনজেন সদস্যপদ বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোরের প্রস্তাব চীনের ১৪ বছরের মধ্যে জিডিপির অনুপাতে বেসরকারি বিনিয়োগ সর্বনিম্ন খুলনায় ফজরের নামাজের সময় অস্ত্র নিয়ে মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদের গুলি পটুয়াখালীতে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের সদস্য গ্রেফতার পর্নোগ্রাফি মামলায় ধরা পড়লেন মাওলানা মিরাজ আহমেদ চাঁদা না পেয়ে ছাত্রদল নেতার হামলায় একজন নিহত, কয়েকজন আহত হয়েছে। মুন্সীগঞ্জে ১৩ বছরের মাদ্রাসাত্রীকে যৌন নির্যাতন,মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দিলে স্থানীয়রা ইরান ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আগ্রাসনবিরোধী চুক্তি করতে চায় সৌদি আরব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।

সতের মাসে ৬ হাজার নিখোঁজ, রাষ্ট্র নীরব, প্রশ্নের মুখে ড. ইউনুসের শাসন

সময় ডট কম ডেস্ক রিপোর্ট / ১০৮ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬

*সতের মাসে ৬ হাজার নিখোঁজ, রাষ্ট্র নীরব, প্রশ্নের মুখে ড. ইউনুসের শাসন*

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ইতিহাসে বহু অন্ধকার অধ্যায় রয়েছে। তবে অভিযোগ উঠেছে ড. ইউনুসের সরকারের সতের মাসের শাসনামলেই দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গুমের ঘটনা ঘটেছে। সময়ের স্বল্পতা, নিখোঁজের সংখ্যা এবং রাজনৈতিক লক্ষ্যবস্তুর বিচারে এই অধ্যায়কে নজিরবিহীন বলে আখ্যা দিচ্ছেন বিশ্লেষক ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা।
এই নিখোঁজ কোনো বিচ্ছিন্ন বা আকস্মিক ঘটনা নয় এমনটাই অভিযোগ। বরং এটি ধারাবাহিক, পরিকল্পিত এবং নির্দিষ্ট রাজনৈতিক পরিচয়কে লক্ষ্য করে সংঘটিত হয়েছে বলে প্রশ্ন উঠেছে। বিরোধী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হাজার হাজার মানুষ হঠাৎ করেই নিখোঁজ হয়ে গেছে, যাদের বড় একটি অংশ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, আজ পর্যন্ত প্রায় ৬ হাজার নেতা-কর্মীর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

তারা এক সময় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ, সৈনিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা লীগ, যুব মহিলা লীগ ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের পরিচিত কর্মী ছিলেন। তারা কোনো গোপন বা আন্ডারগ্রাউন্ড রাজনীতির অংশ ছিলেন না ছিলেন প্রকাশ্য পরিচয়ের মানুষ।

কিছু নিখোঁজ ব্যক্তির লাশ পাওয়া গেছে কিন্তু অধিকাংশের কোনো চিহ্ন নেই না গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে,না মামলা হয়েছে না বিচার শুরু হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে সেনা বাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে।

একটি দেশে সতের মাসে হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ হয়, অথচ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো বলে “আমরা কিছু জানি না” এই অবস্থান রাষ্ট্রের জবাবদিহি ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে গভীরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
একই সঙ্গে অভিযোগ রয়েছে এই রাজনৈতিক শূন্যতার সুযোগে ইসলামী জঙ্গি গোষ্ঠী এবং বিএনপি–জামায়াত–এনসিপি ঘরানার রাজনীতির শক্তিগুলো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে লাভবান হয়েছে। বিরোধী রাজনীতি দুর্বল হলে কারা সুবিধা পায়—এই প্রশ্ন আজ আর এড়ানো যায় না।
নিখোঁজদের পরিবার আজও আদালত, থানা ও গণমাধ্যমের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। কিন্তু রাষ্ট্র নীরব। এই নীরবতাই সবচেয়ে ভয়ংকর কারণ নীরবতা মানেই দায় এড়িয়ে যাওয়া।
উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও শৃঙ্খলার কথা শোনা যায়।
কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায় যে শাসনামলে স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় গুমের অভিযোগ ওঠে, সেই শাসন কি সত্যিই ন্যায়ভিত্তিক হতে পারে?
ইতিহাস একদিন হিসাব চাইবেই।
গুমের তালিকা চিরদিন চাপা থাকে না।
আজ যারা নেই, তারা কেবল নিখোঁজ নয় তারা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে জমে থাকা প্রশ্ন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/