• বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রংপুরের চার খুন মামলার দুই আসামির ডোপ টেস্টে মাদকের অস্তিত্ব মেলেনি, পুলিশ কী বলছে? শেখ হাসিনার কলাম || গণতন্ত্র নাকি উগ্রবাদ? বিপজ্জনক সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশ ৩০ বছর পর ডাকাতি মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার সমকামিতার অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটির বৈঠক চলাকালেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ পরপর দু’টি বোমা উদ্ধারের মধ্যেই পুলিশের সতর্কতা জারি, পরিস্থিতি কতটা উদ্বেগজনক? বাকেরগঞ্জে ট্রাক থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ জাতিসংঘের নিহতের তালিকায় পাবনার রাফির নাম, ভিডিও বার্তায় নিজেকে জীবিত দাবি মির্জাগঞ্জে আওয়ামিলীগ নেতার বাড়ি ভেংগে দিলেন সংসদ আলতাফ হোসেন চৌধুরী মালয়েশিয়া যেতে আগাম লেনদেন ও মেডিকেল টেস্ট নিয়ে সতর্কবার্তা পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পে পিলারের নিচে মাটি কেটে নেওয়ার পর এবার যন্ত্রাংশ চুরির মহোৎসব, দুর্ঘটনার শঙ্কা

‘টাকা দিয়েও গ্যাস পাচ্ছি না’- সিলিন্ডার গ্যাস সংকটে দিনভর ভোগান্তি

সময় ডট কম /ডেস্ক রিপোর্ট / ১৩৭ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৬

দেশজুড়ে গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই বাড়তি ভোগান্তির কারণ হয়- বিক্রির ক্ষেত্রে কমিশন বৃদ্ধি, বিইআরসির একতরফা দাম ঘোষণা বন্ধ করাসহ ছয় দফা দাবিতে এলপিজি ব্যবসায়ীদের ডাকা ধর্মঘট।

এমন প্রেক্ষাপটে জ্বালানী খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি’র সঙ্গে বৈঠকের পর ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছেন এলপিজি ব্যবসায়ীরা।

তবে, এলপিজি সংকটে সপ্তাহজুড়ে চলা গ্রাহক ভোগান্তি বৃহস্পতিবার ব্যবসায়ীদের ধর্মঘটের কারণে চরমে পৌঁছায়। আগে থেকে প্রস্তুতি না থাকায় রান্না বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেক বাসায়।

সিলিন্ডার গ্যাস না পেয়ে বৈদ্যুতিক চুলা অথবা কাঠের চুলায় রান্নার কাজ সারতে দেখা গেছে অনেক পরিবারকে।

সরেজমিন রাজধানীর উলন এলাকায় খালি সিলিন্ডার নিয়ে দোকানে দোকানে ঘুরতে দেখা যায় ব্যবসায়ী মাসুদুল হাসানকে।

বাসার গলিতে কিংবা আশপাশের এলাকায় অন্তত পাঁচজন খুচরা ব্যবসায়ীর সঙ্গে যোগাযোগ করেও এলপিজি সিলিন্ডারের ব্যবস্থা করতে পারেননি তিনি।

মি. হাসান বিবিসি বাংলাকে বলেন, “গত সপ্তাহে গ্যাস কিনেছি আড়াই হাজার টাকায়, এখন তো টাকা দিয়েও গ্যাস পাচ্ছি না। এদিকে কোথাও সিলিন্ডার নাই।”

একই অবস্থা ওই এলাকার আরেক বাসিন্দা রিয়া আক্তারের। আট জনের পরিবারে রান্নার জন্য এলপিজি সিলিন্ডারই বড় ভরসা তার। সরেজমিন মিজ আক্তারের বাসায় গিয়ে দেখা যায়, গ্যাসের সংকট থাকায় বাচ্চাদের খাবার আগে তৈরি করছেন তিনি।

রিয়া আক্তার জানান, গেল সপ্তাহজুড়েই গ্যাসের তীব্র সংকট থাকায় ভোগান্তিতে দিন কাটছে। “ফ্লাট বাসায় লাইন গ্যাস নাই, সিলিন্ডার গ্যাসই ভরসা। সিলিন্ডারে গ্যাস প্রায় শেষ তাই বাচ্চাদের খাবার আগে তৈরি করছি, কখন শেষ হয়ে যায়,” বলেন তিনি।

সিলিন্ডার গ্যাসের সংকট প্রভাব ফেলেছে অলিগলির রেস্তোরা কিংবা চায়ের দোকানেও। গ্যাস না থাকায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রেস্তোরা বন্ধ রেখেছেন রামপুরা ডিআইটি রোডের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হাবিব।

তিনি বলছেন, এক সপ্তাহ জুড়েই গ্যাস নিয়ে সংকটে আছেন তিনি। সিলিন্ডারের আকার ভেদে দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকার পর্যন্ত সিলিন্ডার কিনেছন তিনি।

“চার দিন আগে ছোট সিলিন্ডার কিনছি দুই হাজার টাকায় বড়টা কিনছি সাড়ে তিন হাজারে, গতকাল গ্যাসের দোকানে খোঁজ নিছি বড়টার দাম কয় পাঁচ হাজার টাকা। আজকে আর ফোনই রিসিভ করে না,” বলেন মি. হাবিব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/