• বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সাইপ্রাসের লক্ষ্য ২০২৬ সালের মধ্যে সেনজেন সদস্যপদ বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোরের প্রস্তাব চীনের ১৪ বছরের মধ্যে জিডিপির অনুপাতে বেসরকারি বিনিয়োগ সর্বনিম্ন খুলনায় ফজরের নামাজের সময় অস্ত্র নিয়ে মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদের গুলি পটুয়াখালীতে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের সদস্য গ্রেফতার পর্নোগ্রাফি মামলায় ধরা পড়লেন মাওলানা মিরাজ আহমেদ চাঁদা না পেয়ে ছাত্রদল নেতার হামলায় একজন নিহত, কয়েকজন আহত হয়েছে। মুন্সীগঞ্জে ১৩ বছরের মাদ্রাসাত্রীকে যৌন নির্যাতন,মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দিলে স্থানীয়রা ইরান ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আগ্রাসনবিরোধী চুক্তি করতে চায় সৌদি আরব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।

আওয়ামী ছত্রছায়ার প্রভাবশালী এনায়েত এখন জামায়াতের প্রার্থী

এম হাসান / ১৬২ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : সোমবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৬

বিগত আওয়ামী লীগ শাসনামলে ঢাকা-৭ আসনের একাধিকবার সংসদ সদস্য ছিলেন হাজী সেলিম। যিনি এমপি থাকা অবস্থায় পুরান ঢাকার বড় একটি অংশে আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) ও নিজ পরিবারের দুঃশাসন কায়েম করেছিলেন।

জমি দখল, চাঁদাবাজি ও খুনের মতন অভিযোগও রয়েছে হাজী সেলিম ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে। জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে নিজ দলের সঙ্গে ক্ষমতা হারান তিনি। বর্তমানে একাধিক মামলায় আসামি হয়ে কারাগারে বন্দী জীবনে রয়েছেন হাজী সেলিম।

অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসনে ফের আলোচনায় হাজী সেলিম। তবে এবার নিজে আড়ালে থেকে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির নির্বাচনী ময়দানে আলোচনায় তিনি। এই আসনে এবার জামায়াতে ইসলামী থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে হাফেজ হাজী মুহাম্মদ এনায়েত উল্লাহ্কে। জামায়াতের প্রার্থী এনায়েত উল্লাহ্কে নিয়েই ঢাকা-৭ নির্বাচনী এলাকায় তৈরি হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। বিগত আওয়ামী সরকারের দুঃশাসনের ছত্রছায়ার প্রভাবশালী ব্যবসায়ী এখন জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে দেখে স্থানীয় ভোটাররাও বিব্রত।

ব্যবসা বাণিজ্যের পুরান ঢাকার অন্যতম সংগঠন মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির দায়িত্ব পালন করেছেন জামায়াত প্রার্থী এনায়েত। সেসময়ের স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের অনুকম্পা ছাড়া যা অসম্ভব। আওয়ামী লীগ পরিচয়ে দাপিয়ে বেড়ানো সেই ব্যবসায়ী এনায়েত উল্লাহ্ ভোটে লড়ছেন দাঁড়িপাল্লা মার্কা নিয়ে।

অভিযোগ রয়েছে- পুরান ঢাকা ও গুলিস্তানের একাংশে নিজেদের অবস্থান টিকিয়ে রাখতেই হাজী সেলিম, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াসহ একাধিক আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতারা সুকৌশলে এনায়েত উল্লাহ্কে এমপি প্রার্থী বানিয়েছেন৷ যেজন্য জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যোগসাজশে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছেন এনায়েত। এজন্য বিপুল পরিমাণের অর্থ লেনদেনের অভিযোগে রয়েছে জনমনে।

ঢাকা-৭ আসনের একাধিক ভোটার জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে মুখোশের আড়ালের রাজনীতি হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। যে ব্যক্তি বিগত সরকারের দুঃশাসনের ফায়দা লুটেছে, তাকে আবার জামায়াত থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে; যা সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই না। গত সরকারের সিন্ডিকেটের সঙ্গে মিলে বিভিন্ন পণ্যের দাম বৃদ্ধিতে যারা জড়িত ছিলো, তাদের শাস্তির পরিবর্তে পুরস্কৃত করা হচ্ছে। প্রতারণামূলক রাজনীতির বিচার দাবি করেন পুরান ঢাকার বাসিন্দারা।

এনায়েত উল্লাহ্কে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ঘোষণার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পুরোনো ছবি ভাইরাল হয়। যেখানে দেখা যায়, হাজী সেলিম তো রয়েছেনই সেইসাথে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গেও বিশেষ সম্পর্ক ফুটে উঠে।

এছাড়া, রাজধানীর গুলশান-বনানীসহ দেশে-বিদেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান দেখভালের অভিযোগও রয়েছে এনায়েত উল্লাহ্ ও তার বড়ছেলের বিরুদ্ধে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/