এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এতে জড়িত পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। তবে ভুক্তভোগী ওই নারী বর্তমানে কোথায় আছেন সেটি নিশ্চিত নয় পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, ফুটেজ দেখেই তাদের আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও আটককৃতদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছে পুলিশ।
পুলিশ কর্মকর্তা মি. মাসুদ সময়ডটকম কে জানান, যেখান এই ঘটনাটি ঘটেছে সেটি ছিল পুরুষ ছাত্রদের মাদ্রাসা।
এই ঘটনায় যাদের আটক করা হয়েছে তাদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, দুই দিন আগে নর্দা এলাকার একটি স্থানীয় মাদ্রাসা থেকে ওই নারীকে আটক করে মাদ্রাসার বাইরে নিয়ে আসে তারা।
আটককৃতরা পুলিশকে জানিয়েছে, ওই নারী যখন মাদ্রাসার ভেতরে ঢোকেন তখন ছিল খুব সকাল। তখন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ কক্ষে বিশ্রাম নিচ্ছিল এবং তাদের পাঞ্জাবিগুলো হ্যাঙ্গারে ঝুলানো ছিল।
তখন ওই নারী মাদ্রাসার একটি ফ্লোরে গিয়ে ছাত্রদের পাঞ্জাবির পকেট হাত দিয়েছিল বলেও ছাত্ররা পুলিশকে জানিয়েছে। তখন ছাত্ররা চোর সন্দেহ চিৎকার করলে তখন কিছু শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা এসে তাকে আটক করে।
পুলিশ জানায়, একটা পর্যায়ে জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারী প্রথমে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে জানান, তিনি তার মেয়েকে ভর্তি করাতে সেখানে গিয়েছিলেন। মাদ্রাসাটি শুধু ছেলেদের জন্য জানানো হলে তিনি কথা বদলে বলেন, ছেলেকে ভর্তি করাতে এসেছিলেন।
জিজ্ঞাসাবাদের একটা পর্যায়ে ওই নারী নিজেকে যৌনকর্মী বলেও ছাত্র ও স্থানীয়দের কাছে দাবি করেছে বলেও আটকৃতরা জানিয়েছে পুলিশকে।
মি. মাসুদ জানান, নারীকে খুঁজে বের করতে এবং পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নিতে পুলিশ কাজ করছে।
https://slotbet.online/