• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পটুয়াখালীতে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের সদস্য গ্রেফতার পর্নোগ্রাফি মামলায় ধরা পড়লেন মাওলানা মিরাজ আহমেদ চাঁদা না পেয়ে ছাত্রদল নেতার হামলায় একজন নিহত, কয়েকজন আহত হয়েছে। মুন্সীগঞ্জে ১৩ বছরের মাদ্রাসাত্রীকে যৌন নির্যাতন,মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দিলে স্থানীয়রা ইরান ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আগ্রাসনবিরোধী চুক্তি করতে চায় সৌদি আরব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। নিখোঁজের ১০ দিন পর মিলল মা-মেয়ের অর্ধগলিত মরদেহ বাকেরগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জনকে কারাদণ্ড দীর্ঘদিন পালিয়ে থেকেও শেষ রক্ষা হলোনা যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ইউপি সদস্য কালামের বাকেরগঞ্জে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

রাজধানীর বসুন্ধরায় মবের স্বীকারে প্রান গেল শিক্ষানবিশ আইনজীবীর।

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৩৪ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৬

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় মোটরসাইকেলে প্রাইভেটকারের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে নাঈম কিবরিয়া (৩৫) নামে এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে মারধর করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। তিনি পাবনা জেলা জজকোর্টের আইনজীবী ছিলেন।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত কিবরিয়াকে স্বজনরা উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রাতেই তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ খবর পেয়ে ওই হাসপাতাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়।

ভাটারা থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফুল ইসলাম জানান, রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লাগে নাঈমের প্রাইভেটকারটির। এতে মোটরসাইকেলের আরোহীরা নাঈমকে প্রাইভেটকার থেকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এক পর্যায়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লক, ১০ নম্বর রোডে ওয়ালটন বাড়ির সামনে তাকে ফেলে রেখে যায়। খবর পেয়ে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

এসআই আরও জানান, নিহতের গলায়, হাত ও পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখমের চিহ্ন রয়েছে। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এদিকে নিহত নাঈম কিবরিয়ার খালাত ভাই মো. রাকিবুল ইসলাম শামিম জানান, নাঈমের বাড়ি পাবনা সদর উপজেলার চকজয়েনপুর গ্রামে। তার বাবার নাম গোলাম কিবরিয়া। পাবনা জজকোর্টে শিক্ষানবিশ আইনজীবী ছিলেন নাঈম। তার মা আইরিন কিবরিয়া আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পাবনা জেলা পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান ছিলেন। ২৪-এর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পরবর্তীতে নাঈমের নামে একটি মামলা হয়েছে পাবনা থানায়। এর পর থেকেই গ্রেপ্তার এড়াতে গা ঢাকা দিয়েছিলেন নাঈম।

তিনি আরও জানান, বুধবার রাত ১০টার দিকে নাঈমের ফোন থেকে তার ফোনে একটি কল আসে। তবে তখন নাঈম কোনো কথা বলছিলেন না। শুধু হৈচৈ শোনা যাচ্ছিল। পরবর্তীতে বারবার তার ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না। ঘণ্টাখানেক পর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এক নিরাপত্তা কর্মী ফোন রিসিভ করে জানায়, কারা যেন আই ব্লকে নাঈমকে মারধর করে ফেলে রেখে গেছে। পরে তিনি সেখানে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে বারিধারা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে পরবর্তীতে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

শামীম অভিযোগ করে বলেন, রাতে মব সৃষ্টি করে নাঈমকে মারধর করা হয়েছে। তবে কারা তাকে মারধর করেছে সেটি জানা নেই তাদের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/