• শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গ্যাস সংকটের নেপথ্যে ড: ইউনূস ও পিটার হাসের কোম্পানির ষড়যন্ত্র সাইবার মামলায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী কর্মকর্তা কারাগারে সংসদ নির্বাচনে নারী ভোটারদের উপর নির্ভর করছে প্রার্থীদের জয়-পরাজয় পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে ইরানকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি – ‘সময় ফুরিয়ে আসছে’ সতের মাসে ৬ হাজার নিখোঁজ, রাষ্ট্র নীরব, প্রশ্নের মুখে ড. ইউনুসের শাসন দেড় বছরেও উদ্ধার হয়নি লুট হওয়া হাজারের বেশি অস্ত্র, দুই লাখ গোলাবারুদ। নির্বাচনে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তদন্তে নির্দোষ প্রমাণিত শেখ হাসিনা, অভিযোগের ভিত্তি নেই: জাতীয় কমিটির রিপোর্ট মিরসরাইয়ে ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চলের জায়গায় হবে প্রতিরক্ষা শিল্প পার্ক জামায়াতের মেহেরপুর জেলা আমিরের গাড়ি থেকে ‘অস্ত্র’সহ আটক ৩ ডাকসু ‘মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল’ জামায়াত নেতার বক্তব্যের নিন্দা ঢাবি শিক্ষার্থীদের।

গোপালগঞ্জে ধর্ষণের শিকার মাদরাসা ছাত্রীর আত্মহত্যা, ২ শিক্ষক গ্রেপ্তার

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি / ১৪১ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে রুপা আক্তার (১৪) নামে এক মাদরাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর আত্মহত্যার ঘটনায় দুই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

রুপা আক্তার মুকসুদপুরের বামনডাঙ্গা আয়েশা সিদ্দিকা মহিলা হাফেজিয়া মাদরাসার পঞ্চম জামাতের শিক্ষার্থী ছিলেন। সে বামনডাঙ্গা গ্রামের প্রবাসী কামরুল শেখের মেয়ে।

শুক্রবার সকালে মৃতের মা বেবী বেগম বাদী হয়ে শিক্ষক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান শিকদার (৫১) ও শিক্ষিকা খাদিজা বেগমকে (৩০) আসামি করে এ মামলা করেন। মামলা দায়েরের পরই পুলিশ শিক্ষিকা খাদিজা বেগমকে গ্রেপ্তার করে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) স্থানীয় এলাকাবাসী শিক্ষক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান শিকদারকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। এরপর থেকে ওই শিক্ষককে পুলিশি পাহারায় মাদারীপুরের রাজৈর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়। শুক্রবার তাকে মুকসুদপুর থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার গোহালা ইউনিয়নের বামনডাঙ্গা গ্রামের নিজ বাড়িতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মাদরাসা শিক্ষার্থী রুপা আক্তার আত্মহত্যা করে। এর আগে, গত ২৬ নভেম্বর ওই মাদরাসা ছাত্রী শিক্ষক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান শিকদার কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হন এবং ধর্ষণের চিত্র মোবাইলে ধারন করে রাখা হয়েছে বলে জানা যায়। ধর্ষণের চিত্র ধারন করেন মাদরাসার আরেক শিক্ষক এবং এ মামলার অপর আসামি খাদিজা বেগম। ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করা হয়েছে এবং একারণেই সে আত্মহত্যা করেছে, বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। গণধোলাইয়ে অসুস্থ হওয়ায় পুলিশ তাকে পার্শ্ববর্তী মাদারীপুর জেলার রাজৈর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়।

অভিযুক্ত শিক্ষক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান শিকদার বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলার বারাশিয়া গ্রামের আব্দুল হামিদ শিকদারের ছেলে ও খাদিজা বেগম মুকসুদপুর উপজেলার বামনডাঙ্গা গ্রামের ফজলু খালাসীর মেয়ে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/