• বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সাইপ্রাসের লক্ষ্য ২০২৬ সালের মধ্যে সেনজেন সদস্যপদ বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোরের প্রস্তাব চীনের ১৪ বছরের মধ্যে জিডিপির অনুপাতে বেসরকারি বিনিয়োগ সর্বনিম্ন খুলনায় ফজরের নামাজের সময় অস্ত্র নিয়ে মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদের গুলি পটুয়াখালীতে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের সদস্য গ্রেফতার পর্নোগ্রাফি মামলায় ধরা পড়লেন মাওলানা মিরাজ আহমেদ চাঁদা না পেয়ে ছাত্রদল নেতার হামলায় একজন নিহত, কয়েকজন আহত হয়েছে। মুন্সীগঞ্জে ১৩ বছরের মাদ্রাসাত্রীকে যৌন নির্যাতন,মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দিলে স্থানীয়রা ইরান ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আগ্রাসনবিরোধী চুক্তি করতে চায় সৌদি আরব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।

কলকাতায় বাংলাদেশের উপদূতাবাসের দিকে বামপন্থি দলগুলোর মিছিল

ডেস্ক রিপোর্ট / ১৪৫ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

দুপুরে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর মিছিলের পরে কলকাতায় বাংলাদেশের উপদূতাবাসের দিকে সন্ধ্যায় মিছিল করেছেন বামপন্থি দলগুলোর নেতাকর্মীরা। দুপুরের মতোই এদের মিছিলও উপদূতাবসের দুশো মিটার আগেই থামিয়ে দেয় পুলিশ।

বামপন্থিরা অবশ্য ব্যারিকেড ভাঙার কোনো চেষ্টাও করেননি।

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) সংক্ষেপে সিপিআই (এম), সিপিআই, বিপ্লবী সমাজতন্ত্রী দল বা এসএসপি, একতা দল, ফরোয়ার্ড ব্লক এতে অংশ নেয়।

বামপন্থি নেতাদের বক্তৃতায় মূল সুর ছিল- তাদের ভাষায় “বাংলাদেশে ধর্মীয় মৌলবাদের বিরুদ্ধে”।

তারা বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের উপরে নির্যাতনের প্রসঙ্গের সঙ্গেই সংবাদমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর ওপরে হামলার বিরোধিতাও করেন প্রবলভাবে।

তাদের কথায়, “ধর্মান্ধতার পাল্টা ধর্মান্ধতা হতে পারে না”।

সিপিআই (এম) এর রাজ্য সম্পাদক মুহাম্মদ সেলিম তাদের এই মিছিলের বিষয়ে বিবিসি বাংলাকে বলেন, “বাংলাদেশে যা হচ্ছে, সেকুলার ডেমোক্রেসিকে আক্রমণ করা হচ্ছে। যা কিছু মুক্ত চিন্তা প্রতীক, যা কিছু স্বাধীনতার প্রতীক এগুলো আক্রান্ত হচ্ছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশকে ধ্বংস করা হচ্ছে। আমরা তার প্রতিবাদ করছি।”

“সাম্প্রদায়িক রাজনীতি ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়” এবং সেটা বাংলাদেশে ও ভারতে দুই জায়গাতে হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা এই সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছি”।

এর আগে দুপুরে ডেপুটি হাইকমিশন কার্যালয়ের সামনে হিন্দুত্ববাদী কয়েকটি সংগঠনের বিক্ষোভে পুলিশ লাঠিচার্জ করে।

ডেপুটি হাই কমিশনের প্রায় দুশো মিটার দূর পর্যন্ত মোট তিনটি ব্যারিকেড দিয়েছিল পুলিশ। সমাবেশ শুরুর কিছুক্ষণ পরই পুলিশের সাথে বিক্ষোভকারীরা ধাক্কাধাক্কি শুরু করে, এক পর্যায়ে প্রথম ব্যারিকেড ভেঙে ফেলে তারা।

এরপর দ্বিতীয় ব্যারিকেড পর্যন্ত তারা পৌঁছে যাওয়ার পর পুলিশ লাঠিচার্জ করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/