• বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০১:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সাইপ্রাসের লক্ষ্য ২০২৬ সালের মধ্যে সেনজেন সদস্যপদ বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোরের প্রস্তাব চীনের ১৪ বছরের মধ্যে জিডিপির অনুপাতে বেসরকারি বিনিয়োগ সর্বনিম্ন খুলনায় ফজরের নামাজের সময় অস্ত্র নিয়ে মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদের গুলি পটুয়াখালীতে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের সদস্য গ্রেফতার পর্নোগ্রাফি মামলায় ধরা পড়লেন মাওলানা মিরাজ আহমেদ চাঁদা না পেয়ে ছাত্রদল নেতার হামলায় একজন নিহত, কয়েকজন আহত হয়েছে। মুন্সীগঞ্জে ১৩ বছরের মাদ্রাসাত্রীকে যৌন নির্যাতন,মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দিলে স্থানীয়রা ইরান ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আগ্রাসনবিরোধী চুক্তি করতে চায় সৌদি আরব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।

১৯৭১ সালের ৭ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলী।

ডেস্ক রিপোর্ট / ১৯৫ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর ছিল বিজয়ের ঠিক আগের প্রহর, যখন বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চল শত্রুমুক্ত হতে শুরু করেছে; মিত্রবাহিনীর ও মুক্তিযোদ্ধাদের যৌথ আক্রমণে পাক-হানাদার বাহিনী কোণঠাসা, জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, এবং স্বাধীনতাকামী জনতা বিজয়ের উল্লাসে মেতে ওঠে, যা চূড়ান্ত বিজয়ের দিকে এগোচ্ছিল এবং ১৬ ডিসেম্বর 【বিজয় দিবস】 উদযাপনের ভিত্তি স্থাপন করে।
৭ ডিসেম্বর ১৯৭১-এর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি:
সামরিক অগ্রগতি:
স্বাধীনতার প্রায় পুরোটা অংশ শত্রুমুক্ত: ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলা ও শহর থেকে পাকিস্তানি বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং মুক্তিকামী জনতা ও মিত্রবাহিনীর যৌথ আক্রমণে অধিকাংশ এলাকা শত্রুমুক্ত হয়।
পাক-বাহিনীর কোণঠাসা: মিত্রবাহিনী ও মুক্তি ফৌজle (মুক্তিফৌজ) এর সাঁড়াশি আক্রমণে পাক-বাহিনী দেশের বিভিন্ন অংশে বিচ্ছিন্ন ও কোণঠাসা হয়ে পড়ে, বিশেষ করে ঢাকা দখল করার প্রস্তুতি চলছিল।
আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট:
জাতিসংঘে প্রস্তাব: এদিকে, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব উত্থাপিত হলেও ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়ন তা প্রত্যাখ্যান করে, যা বাংলাদেশের বিজয়কে আরও ত্বরান্বিত করে।
আন্তর্জাতিক সমর্থন: এই সময়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠিত হতে শুরু করে, যা বিজয়ের পথ সুগম করে।


জনগণের উল্লাস:
বিজয়ের বার্তা: দেশের প্রায় সকল প্রান্ত থেকে বিজয়ের খবর ছড়িয়ে পড়লে মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে উদ্দীপনা বহুগুণে বেড়ে যায় এবং সাধারণ মানুষ বিজয়ের আনন্দে উদ্বেলিত হয়।
সংক্ষেপে, ৭ ডিসেম্বর ছিল বাংলাদেশের চূড়ান্ত বিজয়ের পূর্ব মুহূর্ত, যখন সামরিক ও রাজনৈতিক উভয় দিকেই বিজয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল এবং ১৬ ডিসেম্বরের ঐতিহাসিক বিজয়ের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/