১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর ছিল বিজয়ের ঠিক আগের প্রহর, যখন বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চল শত্রুমুক্ত হতে শুরু করেছে; মিত্রবাহিনীর ও মুক্তিযোদ্ধাদের যৌথ আক্রমণে পাক-হানাদার বাহিনী কোণঠাসা, জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, এবং স্বাধীনতাকামী জনতা বিজয়ের উল্লাসে মেতে ওঠে, যা চূড়ান্ত বিজয়ের দিকে এগোচ্ছিল এবং ১৬ ডিসেম্বর 【বিজয় দিবস】 উদযাপনের ভিত্তি স্থাপন করে।
৭ ডিসেম্বর ১৯৭১-এর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি:
সামরিক অগ্রগতি:
স্বাধীনতার প্রায় পুরোটা অংশ শত্রুমুক্ত: ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলা ও শহর থেকে পাকিস্তানি বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং মুক্তিকামী জনতা ও মিত্রবাহিনীর যৌথ আক্রমণে অধিকাংশ এলাকা শত্রুমুক্ত হয়।
পাক-বাহিনীর কোণঠাসা: মিত্রবাহিনী ও মুক্তি ফৌজle (মুক্তিফৌজ) এর সাঁড়াশি আক্রমণে পাক-বাহিনী দেশের বিভিন্ন অংশে বিচ্ছিন্ন ও কোণঠাসা হয়ে পড়ে, বিশেষ করে ঢাকা দখল করার প্রস্তুতি চলছিল।
আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট:
জাতিসংঘে প্রস্তাব: এদিকে, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব উত্থাপিত হলেও ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়ন তা প্রত্যাখ্যান করে, যা বাংলাদেশের বিজয়কে আরও ত্বরান্বিত করে।
আন্তর্জাতিক সমর্থন: এই সময়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠিত হতে শুরু করে, যা বিজয়ের পথ সুগম করে।

জনগণের উল্লাস:
বিজয়ের বার্তা: দেশের প্রায় সকল প্রান্ত থেকে বিজয়ের খবর ছড়িয়ে পড়লে মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে উদ্দীপনা বহুগুণে বেড়ে যায় এবং সাধারণ মানুষ বিজয়ের আনন্দে উদ্বেলিত হয়।
সংক্ষেপে, ৭ ডিসেম্বর ছিল বাংলাদেশের চূড়ান্ত বিজয়ের পূর্ব মুহূর্ত, যখন সামরিক ও রাজনৈতিক উভয় দিকেই বিজয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল এবং ১৬ ডিসেম্বরের ঐতিহাসিক বিজয়ের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল।
https://slotbet.online/