• বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সাইপ্রাসের লক্ষ্য ২০২৬ সালের মধ্যে সেনজেন সদস্যপদ বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোরের প্রস্তাব চীনের ১৪ বছরের মধ্যে জিডিপির অনুপাতে বেসরকারি বিনিয়োগ সর্বনিম্ন খুলনায় ফজরের নামাজের সময় অস্ত্র নিয়ে মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদের গুলি পটুয়াখালীতে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের সদস্য গ্রেফতার পর্নোগ্রাফি মামলায় ধরা পড়লেন মাওলানা মিরাজ আহমেদ চাঁদা না পেয়ে ছাত্রদল নেতার হামলায় একজন নিহত, কয়েকজন আহত হয়েছে। মুন্সীগঞ্জে ১৩ বছরের মাদ্রাসাত্রীকে যৌন নির্যাতন,মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দিলে স্থানীয়রা ইরান ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আগ্রাসনবিরোধী চুক্তি করতে চায় সৌদি আরব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।

ইউক্রেনকে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিলো যুক্তরাষ্ট্র, সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি ফ্রান্স-যুক্তরাজ্যের

সময় ডট কম /ডেস্ক রিপোর্ট / ৮৮ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬

ইউক্রেনকে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিলো যুক্তরাষ্ট্র, সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি ফ্রান্স-যুক্তরাজ্যের

ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা গ্যারান্টি সমর্থন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পাশাপাশি একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর ও তার বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণে নেতৃত্ব দেয়ার কথাও জানিয়েছে দেশটি। অন্যদিকে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধবিরতির পর সেনা পাঠানোর পাশাপাশি প্রয়োজনে ইউক্রেনের মাটিতে সেনাঘাঁটি গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত তথাকথিত ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’র অন্তর্ভুক্ত ইউরোপের ৩৫টি দেশের শীর্ষ সম্মেলনে ইউক্রেনকে এই প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়।

 

ইউক্রেনের জন্য যুদ্ধ-পরবর্তী নিরাপত্তা গ্যারান্টি শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এদিন ২৭ জন রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানসহ দেশগুলোর প্রতিনিধিরা প্যারিসে জড়ো হন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবে বৈঠকে অংশ নেন স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার। উপস্থিত ছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও।
 
সম্মেলনে যুদ্ধবিরতি ও এর পরবর্তী নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন প্রতিনিধিরা। এ সময় ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর সেনা পাঠানোর পাশাপাশি প্রয়োজনে সামরিক ঘাঁটি করে তোলার সিদ্ধান্ত জানায় যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। এরপর এ বিষয়ক একটি চুক্তিতে সাক্ষর করেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রো, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘শক্তিশালী’ নিরাপত্ন্তা গ্যারান্টির ফলে যুক্তরাষ্ট্র একটি বহুজাতিক ইউরোপীয় বাহিনী মোতায়েনের পাশাপাশি একটি যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার নেতৃত্ব দেবে। ম্যাক্রোঁ আরও বলেন, প্যারিস কিয়েভে ‘কয়েক হাজার’ সেনা পাঠাতে পারে।
 
এই ঘোষণাকে ‘বড় অগ্রগতি’ হিসেবে উল্লেখ করে জেলেনস্কি বলেন, ভূমিতে, আকাশে, সমুদ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোন কোন দেশ কোন কোন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেবে এবং পুনর্গঠনের দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কী ধরনের ও কতগুলো বাহিনী প্রয়োজন, সেটাও ঠিক করা হয়েছে। পাশাপাশি এসব বাহিনী কীভাবে পরিচালিত হবে এবং কোন স্তরে সেখানে কমান্ড থাকবে, তাও নির্ধারিত হয়েছে।
 
তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রতিদিন লক্ষ্য কাছাকাছি এলেও যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটিকে যথেষ্ট বলা যাবে না। শান্তিপূর্ণ সমাধানে এগিয়ে আসা সব দেশ ও নেতাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান জেলেনস্কি।
 
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার বলেন, বৈঠকে ‘চমৎকার অগ্রগতি’ হয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, সামনের পথ আরও কঠিন। ইউক্রেনের ওপর রাশিয়ার আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, রাশিয়া যদি আপস করে তবেই শান্তি সম্ভব।
মার্কিন প্রতিনিধি এবং রাশিয়ার সাথে আলোচনার নেতৃত্ব দেয়া উইটকফ বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘নিরাপত্তা গ্যারান্টির পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন’। এই গ্যারান্টিগুলো ‘গুরুত্বপূর্ণ, যাতে ইউক্রেনের জনগণ জানতে পারে যে যখন যুদ্ধ শেষ হবে, তখন তা চিরতরে হবে’।
 
ট্রাম্প জামাতা কুশনার প্যারিস বৈঠককে ‘একটি অনেক বড় মাইলফলক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, যদি ইউক্রেনীয়রা একটি চূড়ান্ত চুক্তি করতে চায়, ‘তাদের জানতে হবে যে চুক্তির পর তারা নিরাপদ, তাদের কাছে স্পষ্টতই একটি শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা রয়েছে এবং এই [রাশিয়ান আক্রমণ] যাতে আবার না ঘটে তা নিশ্চিত করার জন্য প্রকৃত নিশ্চয়তা রয়েছে’।
  

শান্তি আলোচনার মধ্যেই হামলা পাল্টা হামলা

 

এদিকে শান্তি আলোচনার মধ্যেই হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইউক্রেনের জাপোরিজঝিয়া ও দোনেৎস্কে রুশ ড্রোন হামলায় দুইজন নিহত হয়েছেন। জবাবে রাশিয়ার কস্ত্রোমার অস্ত্রভাণ্ডার এবং লিপেৎস্কে তেল শোধনাগারে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন।
 
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়া ও দোনেৎস্কে ব্যাপক ড্রোন হামলা চালায় রাশিয়া। একরাতেই ৬১টি ড্রোন ছোড়ে মস্কো। এর মধ্যে ৫৩টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে বলে দাবি করে কিয়েভ। এ ঘটনায় স্থানীয় নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যসহ বেশ কয়েকজন হতাহত হন। এদিকে খেরসনের আবাসিক ভবনে বিমান হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
 
এর জবাবে রাশিয়ার ভেতরে হামলা জোরদার করেছে ইউক্রেন। কস্ত্রোমায় ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদ ভাণ্ডার এবং লিপেৎস্কে তেল ডিপোতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে কিয়েভ। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন। ইউক্রেনের এ হামলার পর রুশ সামরিক সরবরাহে বড় ধাক্কা লাগতে পারে বলে উদ্বেগ জানিয়েছে স্থানীয় কতৃপক্ষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/