• মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সমকামিতার অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটির বৈঠক চলাকালেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ পরপর দু’টি বোমা উদ্ধারের মধ্যেই পুলিশের সতর্কতা জারি, পরিস্থিতি কতটা উদ্বেগজনক? বাকেরগঞ্জে ট্রাক থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ জাতিসংঘের নিহতের তালিকায় পাবনার রাফির নাম, ভিডিও বার্তায় নিজেকে জীবিত দাবি মির্জাগঞ্জে আওয়ামিলীগ নেতার বাড়ি ভেংগে দিলেন সংসদ আলতাফ হোসেন চৌধুরী মালয়েশিয়া যেতে আগাম লেনদেন ও মেডিকেল টেস্ট নিয়ে সতর্কবার্তা পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পে পিলারের নিচে মাটি কেটে নেওয়ার পর এবার যন্ত্রাংশ চুরির মহোৎসব, দুর্ঘটনার শঙ্কা হোলি আর্টিজানের এক দশক, বাংলাদেশে জঙ্গি তৎপরতা বেড়েছে নাকি কমেছে? সাইপ্রাসের লক্ষ্য ২০২৬ সালের মধ্যে সেনজেন সদস্যপদ বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোরের প্রস্তাব চীনের

এনসিপি নেতা রুমীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় যেসব বিষয় সামনে আসছে

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৫০ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

ঢাকার জিগাতলায় একটি ছাত্রী হোস্টেল থেকে বৃহস্পতিবার ভোরে এনসিপি নেতা জান্নাতারা রুমী’র মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ‘রাজনৈতিক হুমকি ও পারিবারিক জটিলতা’ এই দুটি বিষয় মাথায় রেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান বিবিসি বাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

মি. রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। তারা রুমীকে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

রুমি জাতীয় নাগরিক পার্টি, এনসিপি’র ধানমন্ডি শাখার যুগ্ম সমন্বয়কারী ছিলেন বলে বিবিসি বাংলাকে নিশ্চিত করেছেন এনসিপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব।

তিনি জানান, প্রায় দুই মাস ধরে সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন রুমী।

“তিনি হত্যা ও ধর্ষণের হুমকিও পেয়ে আসছিলেন। এসব কারণে গত কিছুদিন ধরে ট্রমাটাইজড্ ছিলেন। দলের কর্মসূচিতে আসলেও বিমর্ষ থাকতেন রুমী,” বলছিলেন মি. আদীব।

গত ১৪ই নভেম্বর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ‘ঢাকা লকডাউন’ চলাকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে মধ্য বয়সী এক নারী মারধোরের শিকার হন। সেই মারধরে জড়িত থাকার ঘটনায় আলোচনায় আসেন জান্নাতারা রুমী।

রুমীর বর্তমান ঠিকানা, পারিবারিক পরিচয়, গ্রামের ঠিকানা সবই ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন এনসিপি নেতা আরিফুল ইসলাম আদীব।

তিনি যোগ করেন, “রুমীর পরিবারের সদস্যরাও একই রকম হুমকি-ধামকির মুখে পড়ায়, সেটি পারিবারিক জটিলতা বা চাপের কারণ হয়ে থাকতে পারে। এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা পুলিশ তদন্ত করে দেখবে। কিন্তু, যদি আত্মহত্যাও হয় এর পেছনে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ বা আওয়ামী লীগের কর্মীদের ক্রমাগত হুমকি-ধামকি দায়ী বলে আমি মনে করি।”

ভোরে উদ্ধারের পর সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়।

প্রাথমিকভাবে এটিকে আত্মহত্যা বলে মনে হলেও পুলিশ সম্ভাব্য সকল বিষয় আমলে নিয়ে তদন্ত করছে বলে জানান হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, “রাজনৈতিক কারণে জান্নাতারা রুমী হুমকি ও হয়রানির শিকার হচ্ছিলেন বলে তার দলের পক্ষ থেকে যে অভিযোগ, তা গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সাথে পারিবারিক ও ব্যক্তিজীবনেও তিনি কিছু জটিলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/