• বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রংপুরের চার খুন মামলার দুই আসামির ডোপ টেস্টে মাদকের অস্তিত্ব মেলেনি, পুলিশ কী বলছে? শেখ হাসিনার কলাম || গণতন্ত্র নাকি উগ্রবাদ? বিপজ্জনক সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশ ৩০ বছর পর ডাকাতি মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার সমকামিতার অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটির বৈঠক চলাকালেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ পরপর দু’টি বোমা উদ্ধারের মধ্যেই পুলিশের সতর্কতা জারি, পরিস্থিতি কতটা উদ্বেগজনক? বাকেরগঞ্জে ট্রাক থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ জাতিসংঘের নিহতের তালিকায় পাবনার রাফির নাম, ভিডিও বার্তায় নিজেকে জীবিত দাবি মির্জাগঞ্জে আওয়ামিলীগ নেতার বাড়ি ভেংগে দিলেন সংসদ আলতাফ হোসেন চৌধুরী মালয়েশিয়া যেতে আগাম লেনদেন ও মেডিকেল টেস্ট নিয়ে সতর্কবার্তা পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পে পিলারের নিচে মাটি কেটে নেওয়ার পর এবার যন্ত্রাংশ চুরির মহোৎসব, দুর্ঘটনার শঙ্কা

মৃত্যুদন্ডের নাটকের নিচে চাপা পড়লো দেশের সার্বভৌমত্ব।

প্রতিনিধি / ২০৩ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫

হাসিনার রায়ের আড়ালে-বিক্রি হয়ে গেল বঙ্গোপসাগর!

ঘটনা ইতিমধ্যেই ঘটে গেছে। বঙ্গোপসাগর, সেন্টমার্টিন, চট্টগ্রাম বন্দর, লালদিয়া,সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ গোপনে বিদেশি শক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বন্দরের নামে যে চুক্তি দেখানো হয়েছে, তা আসলে আসল চুক্তি নয়,এটি সেই বহুদিনের লক্ষ্য পূরণ, যার জন্য তারা বিলিয়ন ডলারের বাজেটে মেটিকিউলাস প্ল্যান করে শেখ হাসিনার পতন ঘটিয়েছে।

শেখ হাসিনার সাজানো “মৃত্যুদণ্ডের নাটক” ছিল আসল উদ্দেশ্য ঢাকার পর্দা। সেদিন সারা দেশের দৃষ্টি যখন রায়ের দিকে আটকে রাখা হয়েছিল, তখনই ইন্টারকন্টিনেন্টালের ভিতরে সেরে ফেলা হয় বঙ্গোপসাগরের তলদেশের সম্পদ পর্যন্ত লিজ দেওয়ার গোপন শর্ত। সেই অপ্রকাশিত শর্তই আসল খেলা।

৩২ নম্বর বাড়ির ভাঙা বাড়ি আবার ভাঙার নাটক, ছাত্র-পুলিশ-আর্মির সংঘর্ষ সবই ছিল জনগণের মনোযোগ সরানোর স্ক্রিপ্ট। ইন্টারকন্টিনেন্টালের কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত এসব ক্লাইমেক্স চালিয়ে তাদের চোখ কান বন্ধ রাখা হয়। কাজ শেষ হতেই সব পক্ষ নাটকের মতো শান্ত হয়ে যায়।

আরেকটি সত্য হলো,এই নাটক টিকিয়ে রাখতে পেছনের শক্তিগুলো যাদের ব্যবহার করেছে, তারা কেউই বুঝতে পারেনি তারা শুধু কুশীলব। উপরের লেভেলে বিলিয়ন ডলার লেনদেন হয়েছে-নিচের লেভেলে বিতরণ হয়েছে শুধু উত্তেজনার নেশা।

সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয়—এই চুক্তির আড়ালে তাঁরা কাগজে-কলমে পুরো বঙ্গোপসাগরের মালিকানা নিশ্চিত করেছে। যেটা একেক সরকার, ফখরুদ্দিন পর্যন্ত পারেনি,ইউনুসপন্থী চক্র সেটা একদিনেই সেরে দিয়েছে।

এবং সেনাবাহিনীর প্রতি প্রশ্ন রয়ে গেল—যারা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার শপথ নেয়, আজ তারা নীরব কেন? কোন শক্তির সামনে তারা মাথা নত করেছে? দেশের মানুষ আজ বুঝে গেছে-দেশ বিক্রির মঞ্চে আপনাদের নীরবতা আপনাদেরই কলঙ্ক।

জনগণ সব দেখছে,এই #বিশ্বাসঘাতকতার হিসাব একদিন না একদিন আপনাদের দিতে হবেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/