পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার মঠবাড়িয়া পৌরসভায় কর্মরত ৩য় শ্রেনীর কর্মচারী (নকশাকার) সেলিম মল্লিককে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর – ৩ (মঠবাড়িয়া) আসনের টিকিকাটা নূরিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসএসসি পাশ করা সেলিম মল্লিক ময়নামতি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার থেকে ৩ মাসের জমি জরিপের কোর্সের সনদ দিয়ে মঠবাড়িয়া পৌরসভায় নকশাকার পদে যোগদান করেন। মাধ্যমিকের পর উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অর্জন না করলেও সাবেক পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিউদ্দিন আহমেদ ফেরদৌস মনগড়া নিয়মে সেলিম মল্লিককে উপ সহকারী প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) বানিয়ে দেন।আর এ পদ ব্যবহার করে বিধিবহির্ভূতভাবে কোটি কোটি টাকার প্রকল্পে স্বাক্ষর করিয়ে পৌরসভাটিকে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভয়ারণ্যে পরিনত করেন তিনি। মন্ত্রনালয়ের কোন চিঠি ছাড়া পৌর মেয়র একজন নকশাকারকে উপ সহকারী প্রকৌশলী পদে বসিয়ে একদিকে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন অন্যদিকে সরকারী বিধি অমান্য করে শপথ ভঙ্গ করেছেন।আর এখনও ওই কর্মচারী নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে ভুয়া উপ সহকারী প্রকৌশলী পদটি ব্যবহার করছেন বলে ধারনা অনেকেরই।
একজন ৩য় শ্রেনীর কর্মচারী কিভাবে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পায় তা জানতে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও রিটার্নিং অফিসার আবু সাঈদ এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার আকলিমা আক্তারকে একাধিকবার ফোন দিয়েও কথা বলা সম্ভব হয়নি।
https://slotbet.online/